সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন ১৫০ পর্যটক
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে ১৫০ জন খাগড়াছড়িতে ফিরেছেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের তিনটি স্থানে নৌকা ও বাঁশের ভেলায় করে পানিপূর্ণ সড়ক পার হতে হয়েছে। এখনো সাজেকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে এসব পর্যটককে নিরাপদে সাজেক থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। পর্যটকদের ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা। রাহুল চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দিঘীনালা-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এই পথে স্রোত থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত রবি ও সোমবারে সাজেকে সব মিলে ৬ শতাধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছিলেন। তারা সবাই নিরাপদ আছেন। তিনি বলেন, আজ বিকালে কিছু পর্যটক পানি পার হয়ে কষ্ট করে গন্তব্যে ফিরে গেছেন। রাতে বৃষ্টি না হলে সড়কের পানি কমে যাবে। কাল পর্যটকরা গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন। যারা আছেন, তারা কটেজগুলোতে আজও বিনামূল্যে থাকতে পারবেন। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র পানির খরচ হিসেবে রুম প্রতি ১৩০০ টাকা সার্ভিস চার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগের কারণে পর্যটকদের জন্য কটেজ মালিক সমিতির বিশেষ উদ্যোগ। সাজেকের জুম্মবি রেস্টুরেন্টের ওনার দেলোয়ার হোসেন জানান, পর্যটকদের খাবার ও থাকার কোনো সমস্যা নাই। আমাদের কাছে আগামী আরও ৩-৪ দিনের খাবার মজুত আছে। আজকে ১৫০ পর্যটক ফিরতে পেড়েছেন। বাকিরা কাল সকাল থেকে ফিরতে শুরু করবেন বলে আমাদের সমিতি থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে ১৫০ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও দ্রুত সরিয়ে আনা হবে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, গত ৭ জুলাই সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের শঙ্কায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আবু দারদা খান আরমান/কেএইচকে/জেআইএম
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে ১৫০ জন খাগড়াছড়িতে ফিরেছেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের তিনটি স্থানে নৌকা ও বাঁশের ভেলায় করে পানিপূর্ণ সড়ক পার হতে হয়েছে। এখনো সাজেকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে এসব পর্যটককে নিরাপদে সাজেক থেকে ফিরিয়ে আনা হয়।
পর্যটকদের ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা।
রাহুল চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দিঘীনালা-বাঘাইহাট-মাচালং সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এই পথে স্রোত থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত রবি ও সোমবারে সাজেকে সব মিলে ৬ শতাধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছিলেন। তারা সবাই নিরাপদ আছেন।
তিনি বলেন, আজ বিকালে কিছু পর্যটক পানি পার হয়ে কষ্ট করে গন্তব্যে ফিরে গেছেন। রাতে বৃষ্টি না হলে সড়কের পানি কমে যাবে। কাল পর্যটকরা গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন। যারা আছেন, তারা কটেজগুলোতে আজও বিনামূল্যে থাকতে পারবেন। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র পানির খরচ হিসেবে রুম প্রতি ১৩০০ টাকা সার্ভিস চার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগের কারণে পর্যটকদের জন্য কটেজ মালিক সমিতির বিশেষ উদ্যোগ।
সাজেকের জুম্মবি রেস্টুরেন্টের ওনার দেলোয়ার হোসেন জানান, পর্যটকদের খাবার ও থাকার কোনো সমস্যা নাই। আমাদের কাছে আগামী আরও ৩-৪ দিনের খাবার মজুত আছে। আজকে ১৫০ পর্যটক ফিরতে পেড়েছেন। বাকিরা কাল সকাল থেকে ফিরতে শুরু করবেন বলে আমাদের সমিতি থেকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর স্কটের মাধ্যমে ১৫০ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও দ্রুত সরিয়ে আনা হবে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, গত ৭ জুলাই সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের শঙ্কায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আবু দারদা খান আরমান/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?