<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>BBH GLOBAL | বাংলাদেশ, প্রযুক্তি, AI, অনলাইন ইনকাম ও সর্বশেষ সংবাদ &amp; সর্বশেষ পোস্ট</title>
    <link>https://bbhglobal.xyz/rss/latest-posts</link>
    <description>BBH GLOBAL | বাংলাদেশ, প্রযুক্তি, AI, অনলাইন ইনকাম ও সর্বশেষ সংবাদ &amp; সর্বশেষ পোস্ট</description>
    <dc:language>bn</dc:language>
    <dc:creator></dc:creator>
    <dc:rights></dc:rights>
    <item>
        <title>বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজ করতে নতুন আইন অনুমোদন</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বিনিয়োগকারীদের-সেবা-সহজ-করতে-নতুন-আইন-অনুমোদন</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বিনিয়োগকারীদের-সেবা-সহজ-করতে-নতুন-আইন-অনুমোদন</guid>
        <description><![CDATA[ বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেবা সহজে ও দ্রুত দিতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে সরকার।
এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এর খসড়া ও এলসির অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রেখে ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
সভা শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ খসড়া আইনটি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত কর্তৃপক্ষ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনটির মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করা। এর আওতায় অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া আরও কার্যকরভাবে সমন্বয় করা হবে।
প্রস্তাবিত আইনটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এটি সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
এই আইন বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমাবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার কার্যপরিধির দ্বৈততা ও পুনরাবৃত্তি পরিহার করবে, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়াবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


আরও পড়ুন




বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষকর্মী গড়তে ১১০ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ: মন্ত্রী



 
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী, টেকসই এবং নিম্ন-কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে। গত ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে গঠিত কমিটির সুপারিশ, আন্তমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা, জনমত গ্রহণ এবং ৩১টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারী সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে কৌশলপত্রটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
‘কৌশলপত্রের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করা এবং কার্যকর চাহিদা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
কৌশলপত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ, নেট মিটারিং, ওপেক্স মডেল, স্মার্ট গ্রিড, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম, সৌরচালিত সেচ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বায়ু বিদ্যুৎ, পানি বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং অবকাঠামো এবং ক্লিন কুকিং প্রযুক্তির সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতি ও প্রণোদনার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থায়ন সহজীকরণের জন্য একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফান্ড গঠন, সহজশর্তে অর্থায়ন, ক্রেডিট গ্যারান্টি, কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার বিকাশ, আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণ, কর অবকাশ এবং স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কৌশলপত্রে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কৃষিজমির সুরক্ষা, সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, সৌর প্যানেল ও ব্যাটারির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৌশলপত্রের কার্যকর বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে একটি রিয়েল-টাইম অনলাইন মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালু করা হবে এবং নিয়মিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভার মাধ্যমে বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ পর্যায়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা, সমন্বয় ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় পলিসি কাউন্সিল গঠন করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 


আরও পড়ুন




মোট রপ্তানির ৯১ শতাংশই আসে প্রধান কয়েকটি পণ্য থেকে: বাণিজ্যমন্ত্রী



আমদানিনীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তিন বছর পর পর আমদানি নীতি আদেশ প্রণয়ন পরে সরকার। বর্তমান আদেশের মেয়াদ গত ৩০ জুন শেষ হয়েছে। তবে নতুন আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বলবৎ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/3-mrdt5p7lm8elwaa-20260709235801.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বিনিয়োগকারীদের, সেবা, সহজ, করতে, নতুন, আইন, অনুমোদন</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>‘মেসি এখনও অবিশ্বাস্য’ উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ইয়ামালের</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/মেসি-এখনও-অবিশ্বাস্য-উচ্ছ্বসিত-প্রশংসা-ইয়ামালের</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/মেসি-এখনও-অবিশ্বাস্য-উচ্ছ্বসিত-প্রশংসা-ইয়ামালের</guid>
        <description><![CDATA[ স্পেনের উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল বলেছেন, সময়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লিওনেল মেসির এখনও বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম্যান্স দেখে তিনি ভীষণ আনন্দিত।
৩৯ বছর বয়সী মেসি বর্তমানে আট গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন। শেষ ১৬-এর লড়াইতে মিশরের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা সেই ৩-২ ব্যবধানের প্রত্যাবর্তনের জয়ে তিনি ছিলেন ম্যাচের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।
মেসির বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স সম্পর্কে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল মুন্দো দেপোর্তিভোকে ইয়ামাল বলেন, ‘অবিশ্বাস্য। মেসি কে, সেটা সবাই জানে। কিন্তু এত উচ্চ পর্যায়ে তিনি এখনও খেলবেন, এটা কেউই আশা করেনি। আমি তার জন্য সত্যিই খুব খুশি।’
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছরের শিরোপাখরা কাটিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জেতানোর সেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন মেসি। ইন্টার মিয়ামির এই ফরোয়ার্ড ২০২২ বিশ্বকাপ থেকে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন।
গত মৌসুমে বার্সেলোনায় মেসির কিংবদন্তিতুল্য ১০ নম্বর জার্সির উত্তরাধিকারী হন ইয়ামাল। তিনি বলেন, শৈশবের আরও দুই আদর্শ নেইমার ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এই বিশ্বকাপে খেলতে দেখে তিনিও আনন্দিত।
ইয়ামাল বলেন, ‘নেইমারের জন্য আমি খুশি, যদিও সে এখন আর টুর্নামেন্টে নেই। ক্রিশ্চিয়ানোর জন্যও আমি খুশি। তারা আমাদের প্রজন্মের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছেন।’
ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার (৮০ গোল) শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বিদায়ের পর জাতীয় দলের ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড চোটের কারণে ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি। তবে এই বিশ্বকাপেই তিনি দলে ফিরে এসেছিলেন।
অন্যদিকে, ইয়ামালের স্পেনই শেষ করে দিয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর একমাত্র অধরা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারার সেই ম্যাচটিই ছিল বিশ্বকাপে পর্তুগিজ এই মহাতারকার শেষ ম্যাচ।
সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা রোনালদো টানা ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোল (১৪৬) ও সর্বাধিক ম্যাচ (২৩৩) খেলার রেকর্ডও তার দখলে।
ইয়ামাল বলেন, ‘তাদের ভালো কিছু হলে সেটাও আমার জন্য আনন্দের। তবে আমি যদি ফাইনালে উঠতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমি শিরোপা জিততে চাই।’
পর্তুগালের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন ইয়ামাল। চোট কাটিয়ে ফেরার পর এটিই ছিল বিশ্বকাপে তার দীর্ঘতম সময় মাঠে থাকা।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলাম। টানা সাতটি ম্যাচ খেলে আসার মতো বিষয় এটি নয়। আমার আরও বেশি বল স্পর্শ করতে হবে, আরও খেলতে হবে, আরও বেশি সময় মাঠে থাকতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই, সেই ছন্দ ফিরে আসবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় আমি আরও ভালো খেলতে পারি। নিজের ব্যাপারে আমি খুব কঠোর। আমার পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট নই। গ্রুপ পর্বে আমি কখনোই সেরা খেলোয়াড় ছিলাম না। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমি জানি, নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ এখনও আছে। যত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এগিয়ে আসে, সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল, আমি তত ভালো খেলি।’
২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে ইউরো জয়ী ইয়ামাল এখন ক্যালিফোর্নিয়ার ইংলউডে অনুষ্ঠিতব্য বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বাসিত।
তিনি বলেন, ‘আমি দারুণ অনুভব করছি। দল হিসেবে আমরা কী করতে পারি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে কী করতে পারি, সেটা দেখানোর জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করি, বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি পুরো দলের জন্যই দারুণ একটি ম্যাচ হবে।’
আরএএইচইউএল/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/messi-mrdsscvpjz9josy-20260709234614.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>‘মেসি, এখনও, অবিশ্বাস্য’, উচ্ছ্বসিত, প্রশংসা, ইয়ামালের</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বিশ্বকাপে রেফারি নিয়োগ কীভাবে করে ফিফা?</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বিশ্বকাপে-রেফারি-নিয়োগ-কীভাবে-করে-ফিফা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বিশ্বকাপে-রেফারি-নিয়োগ-কীভাবে-করে-ফিফা</guid>
        <description><![CDATA[ ফিফা বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শকের নজরে থাকে। মাঠে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের নিয়েও বিতর্ক হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে ৫ আর্জেন্টাইন রেফারি দেওয়া নিয়েও হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনা। মূলত ফিফা সঠিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করতে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের (ম্যাচ অফিসিয়াল) চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দায়িত্ব বণ্টনের জন্য বছরের পর বছর কাজ করে।
কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচে কারা দায়িত্ব পালন করবেন, তা নির্ধারণের আগে ফিফা একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে। এতে একজন কর্মকর্তার অভিজ্ঞতা, পারফরম্যান্স, শারীরিক সক্ষমতা, নিরপেক্ষতা এবং চাপ সামলানোর দক্ষতা বিবেচনা করা হয়।
আগের টুর্নামেন্টগুলোতে যারা ভালো পারফর্ম করেন, প্রতিযোগিতা যত এগোয়, তারা তত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পান।
প্রতিটি ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচে একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ অফিসিয়াল দল থাকে। এতে থাকেন—
* প্রধান রেফারি* দুইজন সহকারী রেফারি* চতুর্থ কর্মকর্তা (ফোর্থ অফিসিয়াল)* ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR)* সহকারী ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (Assistant VAR)
ফিফার রেফারি বাছাই প্রক্রিয়াবিশ্বকাপ শুরু হওয়ার বহু বছর আগেই রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফিফার রেফারিং বিভাগ বিভিন্ন কনফেডারেশনের আন্তর্জাতিক রেফারিদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। বিশ্ব ফুটবলের ছয়টি কনফেডারেশন, ইউরোপ, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং ওশেনিয়া বড় প্রতিযোগিতাগুলোতে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স দেখানো রেফারিদের সুপারিশ করে।
সাধারণত ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকা থেকেই কর্মকর্তাদের নির্বাচন করা হয়। অর্থাৎ, তাদের আগে থেকেই উচ্চ পর্যায়ের ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা, বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ এবং ক্লাব টুর্নামেন্ট।
একাধিক মৌসুম ধরে রেফারিদের পর্যবেক্ষণ করে ফিফা যেসব বিষয় মূল্যায়ন করে—
* সিদ্ধান্তের যথার্থতা* ফুটবলের আইন বোঝা ও সঠিক প্রয়োগ* কঠিন ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা* খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা* মাঠে অবস্থান ও চলাচল* চাপের মধ্যেও ধারাবাহিকতা* ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির ব্যবহার
শারীরিক পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও পারফরম্যান্স মূল্যায়নবিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়ার আগে রেফারিদের কঠোর শারীরিক ও কারিগরি মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফিফা বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্পের আয়োজন করে, যেখানে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলের উচ্চগতির ম্যাচ পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
রেফারিদের যেসব বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়...
* স্প্রিন্টের গতি* উচ্চগতির দৌড়ানোর সক্ষমতা* একাধিক প্রচেষ্টার মধ্যে পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা* দীর্ঘ সময়ের ম্যাচে সহনশীলতা
ফিটনেস পরীক্ষার পাশাপাশি রেফারিরা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক সেশনেও অংশ নেন। সেখানে ম্যাচের বিভিন্ন পরিস্থিতি, শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত, হ্যান্ডবলের ব্যাখ্যা, পেনাল্টির ঘটনা এবং ভিএআর–সংক্রান্ত প্রোটোকল নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। এ ছাড়া ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের আগের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করেন তারা। এতে ফিফার প্রশিক্ষকেরা ভুলগুলো চিহ্নিত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা আরও উন্নত করতে সহায়তা করেন।
নির্দিষ্ট বিশ্বকাপ ম্যাচে ফিফা কীভাবে রেফারি নিয়োগ দেয়চূড়ান্ত রেফারিদের তালিকা নির্ধারণের পরও ফিফা এলোমেলোভাবে তাদের ম্যাচে দায়িত্ব দেয় না। একটি বিশেষ ফিফা রেফারিং কমিটি প্রতিটি ম্যাচ মূল্যায়নের পর সংশ্লিষ্ট রেফারি দল নিয়োগ করে।
রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রে ফিফা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নেয়। সবার আগে দেখা হয় জাতীয়তা ও নিরপেক্ষতা। স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে—এমন কোনো দেশের রেফারিকে সংশ্লিষ্ট ম্যাচে দায়িত্ব দেওয়া হয় না। নিজের দেশের দল বা নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন ম্যাচ থেকেও তাদের দূরে রাখা হয়, যাতে প্রতিটি ম্যাচ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া রেফারির অভিজ্ঞতাও বড় ভূমিকা রাখে। নকআউট পর্ব, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মতো উচ্চচাপের ম্যাচে সাধারণত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেফারিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বড় টুর্নামেন্টে তাদের আগের পারফরম্যান্স এবং চাপ সামলানোর সক্ষমতা মূল্যায়ন করেই এসব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পাশাপাশি দুই দলের খেলার ধরনও বিবেচনায় রাখা হয়। শারীরিক লড়াই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এমন রেফারিকে বেছে নেওয়া হয়, যিনি কঠোর ট্যাকল ও শৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে পারেন। আর কারিগরি ও কৌশলনির্ভর ম্যাচের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী এবং খেলার গতি ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম রেফারিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান রেফারিরাযেসব কর্মকর্তা ধারাবাহিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন, খেলোয়াড়দের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখেন এবং চাপের মধ্যেও সফলভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের নকআউট পর্বের ম্যাচ পরিচালনার জন্য বিবেচনা করা হয়। প্রতিটি নিয়োগের আগে ফিফা ম্যাচ রিপোর্ট, ভিডিও বিশ্লেষণ এবং কারিগরি দলের মতামত পর্যালোচনা করে।
যেসব রেফারির ধারাবাহিকতায় ঘাটতি থাকে বা গুরুতর ভুল করেন, তারা কম ম্যাচের দায়িত্ব পান অথবা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের বিবেচনা থেকে বাদ পড়তে পারেন। বিশ্বকাপের ফাইনালের রেফারি হতে হলে একজন কর্মকর্তাকে অসাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, উচ্চমানের ফিটনেস, মানসিক স্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সামর্থ্য দেখাতে হয়।
প্রধান রেফারির পাশাপাশি, পুরো টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো সহকারী রেফারি এবং ভিএআর কর্মকর্তাদেরও ফিফা ফাইনালের জন্য নির্বাচন করে।
এসকেডি/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/reffere-mrdrn42fpbnptkq-20260709231409.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বিশ্বকাপে, রেফারি, নিয়োগ, কীভাবে, করে, ফিফা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙনে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম, বন্যার শঙ্কা</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/হবিগঞ্জে-খোয়াই-নদীর-বাঁধ-ভাঙনে-প্লাবিত-কয়েকটি-গ্রাম-বন্যার-শঙ্কা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/হবিগঞ্জে-খোয়াই-নদীর-বাঁধ-ভাঙনে-প্লাবিত-কয়েকটি-গ্রাম-বন্যার-শঙ্কা</guid>
        <description><![CDATA[ টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের নদ-নদীগুলো পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সদর উপজেলার লস্করপুরের কালিগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর এলাকা দিয়ে খোয়াই নদীর বাঁধ দুটি স্থান ভেঙে গেছে। এতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে কালিগঞ্জ এলাকায় নদীর বাঁধ ভেঙে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন গবাদি পশুসহ মালামাল নিয়ে নিরাপদ স্থানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এদিকে জেলার কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীগুলোতেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। নদী তীরবর্তী এলাকা ও হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত খোয়াই নদীর ২টি স্থান ভেঙেছে। আরও কয়েকটি স্থান ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে আর ভারী বৃষ্টিপাত না হলে নদীগুলোতে পানি কমে যাবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে বস্তা দিয়ে মাটি ফেলে সংস্কার করা হচ্ছে। 


আরও পড়ুন




অনির্দিষ্টকালের জন্য মিরসরাইয়ের সব ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ



জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাউল ও ১ হাজার ৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুত রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় ১ হাজার ৬২০ প্যাকেট শুকনো খাবার উপবরাদ্দ করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উজান এবং দেশের অভ্যন্তরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ২২৫ সেন্টিমিটার এবং আজমিরীগঞ্জ পয়েন্টে কালনী কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া করাঙ্গী, সুতাং ও সোনাই নদীর পানিও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এনএইচআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/5-20260710002216.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>হবিগঞ্জে, খোয়াই, নদীর, বাঁধ, ভাঙনে, প্লাবিত, কয়েকটি, গ্রাম, বন্যার, শঙ্কা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আর্জেন্টিনা ম্যাচের দায়িত্বে ১৮৮৬টি হলুদ কার্ড দেওয়া পর্তুগালের রেফারি</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/আর্জেন্টিনা-ম্যাচের-দায়িত্বে-১৮৮৬টি-হলুদ-কার্ড-দেওয়া-পর্তুগালের-রেফারি</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/আর্জেন্টিনা-ম্যাচের-দায়িত্বে-১৮৮৬টি-হলুদ-কার্ড-দেওয়া-পর্তুগালের-রেফারি</guid>
        <description><![CDATA[ ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করবেন পর্তুগালের অভিজ্ঞ রেফারি জোয়াও পিনেইরো।
এই ম্যাচে তার দুই সহকারীও থাকছেন পর্তুগালের। প্রথম সহকারী রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ব্রুনো জেসুস, আর দ্বিতীয় সহকারী রেফারি থাকবেন লুসিয়ানো মাইয়া।
এছাড়া ম্যাচের চতুর্থ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কানাডার ড্রু ফিশার। রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন মাইকেল বারওয়েগেন।
জোয়াও পিনেইরা তার ক্যারিয়ারে ৪২১টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে হলুদ কার্ড দিয়েছেন ১৮৮৬টি এবং লাল কার্ড ১৩৯টি। প্রতি ম্যাচে গড়ে ৪.৪৮টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন এই রেফারি।
২০২৬ বিশ্বকাপে বসনিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডার ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দুই ম্যাচে মোট ৮টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন, তবে কোনো লাল কার্ড দেখাননি।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/referee-mrdtlh5f6mi9ix1-20260710000910.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>আর্জেন্টিনা, ম্যাচের, দায়িত্বে, ১৮৮৬টি, হলুদ, কার্ড, দেওয়া, পর্তুগালের, রেফারি</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আওয়ামী লীগের আমলে ক্রসফায়ারে নিহতদের তথ্য প্রকাশে লিগ্যাল নোটিশ</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/আওয়ামী-লীগের-আমলে-ক্রসফায়ারে-নিহতদের-তথ্য-প্রকাশে-লিগ্যাল-নোটিশ</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/আওয়ামী-লীগের-আমলে-ক্রসফায়ারে-নিহতদের-তথ্য-প্রকাশে-লিগ্যাল-নোটিশ</guid>
        <description><![CDATA[ আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচালিত তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুকযুদ্ধ’, ‘এনকাউন্টার’ বা অন্যান্য অভিযানে নিহত ব্যক্তিদের সম্পর্কিত সরকারি তথ্য প্রকাশের জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক, বিজিবির মহাপরিচালক ও ডিএমপি কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে-
১. আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুকযুদ্ধ’, ‘এনকাউন্টার’ বা অনুরূপ অভিযানে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী মোট কতজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম, বাবা/মায়ের নাম, ঠিকানা এবং পরিচয় । প্রত্যেক ঘটনার তারিখ, সময় এবং সুনির্দিষ্ট স্থান চাওয়া হয়েছে।
২. কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রত্যেক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তার বিবরণ।
৩. সংশ্লিষ্ট অভিযানে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা এবং আইনগতভাবে প্রকাশযোগ্য সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও সদস্যদের নাম, পদবি ও কর্মস্থল।
৪. প্রত্যেক ঘটনার এফআইআর, সাধারণ ডায়েরি (জিডি), সুরতহাল প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত প্রতিবেদন, বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য সরকারি তদন্তের বর্তমান অবস্থা ও ফলাফল (যেখানে আইন অনুযায়ী প্রকাশযোগ্য)।


আরও পড়ুন




যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির তালিকায় ১০ ডিসি



 
৫. সরকারি তদন্ত, বিচারিক অনুসন্ধান বা অন্য কোনো আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় কোনো ঘটনাকে বেআইনি বা বিচারবহির্ভূত হত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকলে, সে সম্পর্কিত তথ্য ও সিদ্ধান্তের বিবরণ।
৬. কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয়, প্রশাসনিক বা ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নাম, পদবি, গৃহীত ব্যবস্থা, বর্তমান অবস্থা এবং চূড়ান্ত ফলাফল।
৭. নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে কোনো ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন বা অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকলে তার বিবরণ।
৮. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা, নির্দেশনা বা সংস্কারমূলক পদক্ষেপের বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
উপরোক্ত তথ্যগুলো ১৪ দিনের মধ্যে সরবরাহ না করা হলে অথবা আইনানুগ ও সন্তোষজনক পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এফএইচ/এনএইচআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/4-mrdti8cmj0wrw0p-20260710000707.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>আওয়ামী, লীগের, আমলে, ক্রসফায়ারে, নিহতদের, তথ্য, প্রকাশে, লিগ্যাল, নোটিশ</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>হাইড্রেশন বিরতিকে কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি ডলার আয়</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/হাইড্রেশন-বিরতিকে-কাজে-লাগিয়ে-কোটি-কোটি-ডলার-আয়</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/হাইড্রেশন-বিরতিকে-কাজে-লাগিয়ে-কোটি-কোটি-ডলার-আয়</guid>
        <description><![CDATA[ বিশ্বকাপ এখন শেষ আট দলের লড়াইয়ে পৌঁছে গেছে। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দলগুলো। গত এক মাসেরও বেশি সময়ে ৯০টির বেশি ম্যাচে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত, দারুণ সব গোল এবং বিতর্কের জন্ম হয়েছে। তবে একটি বিষয় এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে-বিতর্কিত হাইড্রেশন বিরতি।
অনেকে আবার এটিকে বাধ্যতামূলক বিজ্ঞাপন বিরতি বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কারণ এর ফলে ফুটবল যেন চার কোয়ার্টারের খেলায় পরিণত হয়েছে।
তীব্র গরমে খেলোয়াড়দের শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের সুযোগ দিতে খেলা সাময়িক বন্ধ রাখার ধারণাটি তাত্ত্বিকভাবে যৌক্তিক। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া বলে মনে হয়। বিশেষ করে যখন ম্যাচগুলো জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কোনো সম্পর্কই থাকে না।
সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতি ম্যাচের ২২তম ও ৬৭তম মিনিটে বাধ্যতামূলক এই তিন মিনিটের বিরতি যেন সোনার খনি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফক্স স্পোর্টসের সম্প্রচারস্বত্ব চুক্তির আর্থিক চিত্র সত্যিই বিস্ময়কর।
যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ভাষায় বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব কিনতে প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল ফক্স স্পোর্টস। কিন্তু হাইড্রেশন বিরতির কারণে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ পাওয়ায় সেই বিপুল বিনিয়োগের বড় একটি অংশ প্রায় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিরতির সময় মাঠের দৃশ্য দেখানোর পরিবর্তে পূর্ণ পর্দাজুড়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করে প্রতিটি ম্যাচে প্রায় ২৬০ সেকেন্ড অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ তৈরি করেছে ফক্স। এর আর্থিক প্রভাবও ছিল তাৎক্ষণিক এবং বিশাল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু গ্রুপ পর্বেই এই অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আয় করেছে।
ম্যাচের গুরুত্ব অনুযায়ী প্রতিটি ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের মূল্য ছিল ২ লাখ থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে। ফলে ১০৪ ম্যাচের পুরো টুর্নামেন্টে শুধু হাইড্রেশন বিরতির বিজ্ঞাপন থেকেই ফক্সের সম্ভাব্য আয় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এতে ভবিষ্যতের ফুটবলের জন্য এক ধরনের অদ্ভুত প্রণোদনার কাঠামো তৈরি হয়েছে। কারণ সম্প্রচারস্বত্বের চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ফিফা হাইড্রেশন বিরতির নিয়ম ঘোষণা করেছিল। ফলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই নতুন বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ পেয়ে যায়।
স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের অনেকেই এই মধ্যার্ধের বিরতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুয়োধ্বনি দেন। কিন্তু বিজ্ঞাপন থেকে আসা বিপুল আয়ের কারণে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই বিরতিকে উপেক্ষা করা প্রায় অসম্ভব।
ফিফা দাবি করতে পারে যে এই নীতি কেবল খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক বাস্তবতা বলছে, হাইড্রেশন বিরতি সফল বাণিজ্যিকীকরণ করেছে। খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে কাজে লাগিয়ে এটি সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্ধ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয়ের এক বিশাল সুযোগে পরিণত হয়েছে।
আরএএইচইউএল/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/fifa-mrdt5kakkl5miy0-20260709235630.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>হাইড্রেশন, বিরতিকে, কাজে, লাগিয়ে, কোটি, কোটি, ডলার, আয়</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ভিএআর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত ফিফার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/কোয়ার্টার-ফাইনাল-থেকে-ভিএআর-ব্যবস্থায়-পরিবর্তন-আনার-সিদ্ধান্ত-ফিফার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/কোয়ার্টার-ফাইনাল-থেকে-ভিএআর-ব্যবস্থায়-পরিবর্তন-আনার-সিদ্ধান্ত-ফিফার</guid>
        <description><![CDATA[ ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ফিফা। বৃহস্পতিবার ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন এই ব্যবস্থা। এখন থেকে প্রতিটি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ভিএআর এবং একজন বিকল্প ভিএআর কর্মকর্তা সরাসরি স্টেডিয়ামেই অবস্থান করবেন।
এর আগে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভিএআর পরিচালিত হচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টার (আইবিসি) থেকে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমস্যার ঝুঁকি কমাতে স্টেডিয়ামেই ভিডিও রেফারিদের রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।
ফ্রান্স–মরক্কো ম্যাচে উরুগুয়ের লিওদান গনসালেস ভিএআর হিসেবে এবং নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান বিকল্প ভিএআর হিসেবে বোস্টনের স্টেডিয়ামে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্টেডিয়াম ও ডালাসের ভিএআর কন্ট্রোল সেন্টারের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এই দুই কর্মকর্তা সরাসরি স্টেডিয়াম থেকেই ভিএআর পরিচালনা করতে পারবেন। একইভাবে, প্রয়োজন হলে মাঠের রেফারি মনিটরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করলেও এই ব্যবস্থাই কার্যকর থাকবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিএআর প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনো ম্যাচ স্থগিত করা যায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে খেলা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচে রেফারিং প্যানেলেও থাকছে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী উপস্থিতি। প্রধান রেফারির দায়িত্বে থাকবেন ফাকুন্দো তেয়ো। তাকে সহায়তা করবেন সহকারী রেফারি হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে।
চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দারিও এরেরা, পঞ্চম কর্মকর্তা থাকবেন ক্রিস্তিয়ান নাভারো। আর ভিএআর-এর দায়িত্বে থাকবেন আর্জেন্টিনার এরনান মাস্ত্রানহেলো।
ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচের বিজয়ী দল সেমিফাইনালে স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দলের মুখোমুখি হবে।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/referee-mrdsfjev0bl07wn-20260709233615.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>কোয়ার্টার, ফাইনাল, থেকে, ভিএআর, ব্যবস্থায়, পরিবর্তন, আনার, সিদ্ধান্ত, ফিফার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>এক ম্যাচ নয়, দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হলো ইংলিশ ডিফেন্ডারকে</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/এক-ম্যাচ-নয়-দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-করা-হলো-ইংলিশ-ডিফেন্ডারকে</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/এক-ম্যাচ-নয়-দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-করা-হলো-ইংলিশ-ডিফেন্ডারকে</guid>
        <description><![CDATA[ বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পাশাপাশি ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচেও খেলতে পারবেন না তিনি।
২৩ বছর বয়সী কোয়ানসা মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে ৫৪তম মিনিটে হেসুস গাইয়ার্দোকে ট্যাকল করতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেন। প্রথমে বলে স্পর্শ করলেও তার উঁচু হয়ে যাওয়া ডান পা গাইয়ার্দোর গায়ে আঘাত করে। ভিএআর পর্যালোচনার পর ইরানি রেফারি আলিরেজা ফাঘানি সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
এই লাল কার্ডের কারণে তিনি আগেই নরওয়ের বিপক্ষে শনিবারের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন। এবার ফিফা নিশ্চিত করেছে, শাস্তি দুই ম্যাচ হওয়ায় ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে আর্জেন্টিনা বা সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তাকে পাওয়া যাবে না।
কোয়ানসার অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেলকে রক্ষণভাগে নতুন সমাধান খুঁজতে হবে। বিশেষ করে রাইটব্যাক পজিশন নিয়ে তার দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে।
এদিকে ইংল্যান্ড অধিনায়ক রিস জেমস এখনও হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। চোটের কারণে তিনি দলের শেষ তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি এবং নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আরেক রাইটব্যাক টিনো লিভরামেন্তো চোটে ছিটকে যান। তার বদলি হিসেবে দলে ডাক পান মূলত সেন্টারব্যাক ট্রেভোহ চালোবা।
গুরুত্বপূর্ণ নকআউট পর্বের আগে একের পর এক রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে হারানোয় ইংল্যান্ডের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/england-mrdrw1j4fdwglua-20260709232105.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>এক, ম্যাচ, নয়, দুই, ম্যাচ, নিষিদ্ধ, করা, হলো, ইংলিশ, ডিফেন্ডারকে</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>স্পেন ম্যাচের আগে আবারও ফিফার কাছে অভিযোগ বেলজিয়ামের</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/স্পেন-ম্যাচের-আগে-আবারও-ফিফার-কাছে-অভিযোগ-বেলজিয়ামের</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/স্পেন-ম্যাচের-আগে-আবারও-ফিফার-কাছে-অভিযোগ-বেলজিয়ামের</guid>
        <description><![CDATA[  
২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও ফিফার কাছে অভিযোগ তুলেছে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন (আরবিএফএ)। এবার স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে নির্ধারিত অনুশীলন মাঠের মান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তারা অনুশীলন কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করে, যা ফিফা অনুমোদন দিয়েছে।
দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের অভিযোগ ছিল যে লয়োলা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটির মাঠটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম মান পূরণ করেনি।
এ কারণে বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে অনুরোধ জানায়, যাতে দলটি এলএ গ্যালাক্সির কারসন ট্রেনিং কমপ্লেক্সে অনুশীলন করতে পারে। ফিফা সেই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে লয়োলা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটি বেলজিয়ামের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সুলিভান মাঠের মান নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়, যাতে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা যায়। মাঠটি চমৎকার অবস্থায় রয়েছে এবং ইতোমধ্যেই একাধিক পেশাদার ক্রীড়া দল এখানে অনুশীলন করেছে। এমনকি এ গ্রীষ্মেও এখানে আরও কয়েকটি বড় ক্রীড়া আয়োজন নির্ধারিত রয়েছে।
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের ঠিক আগের দিন এই পরিবর্তনের আবেদন জানায় বেলজিয়াম। লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছে নির্ধারিত অনুশীলন মাঠ পরিদর্শনের পরই ফিফার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করে ইউরোপের দলটি।
এই ঘটনা ফিফার সঙ্গে বেলজিয়ামের চলমান উত্তেজনাকেই আরও বাড়িয়ে দিলো। এর আগে শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও, মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ড বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফিফার কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেছিল বেলজিয়াম।
সেই সময় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, তারা স্বচ্ছতা, সমান আচরণ এবং নিয়মের যথাযথ প্রয়োগের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে। তাদের মতে, জাতীয় দল, খেলোয়াড় এবং সমর্থকদের আস্থা বজায় রাখতে স্পষ্ট ও ন্যায্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/belgium-mrdrcru153iangy-20260709230615.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>স্পেন, ম্যাচের, আগে, আবারও, ফিফার, কাছে, অভিযোগ, বেলজিয়ামের</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আসুন ‘সবুজ বসতি’গড়ে তুলি: প্রধানমন্ত্রী</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/আসুন-সবুজ-বসতিগড়ে-তুলি-প্রধানমন্ত্রী</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/আসুন-সবুজ-বসতিগড়ে-তুলি-প্রধানমন্ত্রী</guid>
        <description><![CDATA[ বাংলাদেশকে একটি ‘সবুজ বসতি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণকে আমাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলেই আমরা সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ বসতি গড়ে তুলতে পারব।’ আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই পরিবেশ মেলা বা বৃক্ষমেলার আয়োজন বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বে০ড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ। এই আয়োজন কেবল একটি বাৎসরিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত হবে না।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি একটি কথাই বেশি গুরুত্ব দিয়ে বলতে চাই—দেশ হোক সব প্রাণী ও প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল।’বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর এ অনুষ্ঠান হয়। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য বিষয়—‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ এবং বন্য প্রাণী সংরক্ষণ জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া বনায়ন অংশীজনদের মধ্যে লভ্যাংশের চেকও বিতরণ করেন তিনি।সবাইকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ বা সবুজের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি অবগত আছি। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন ঢাকা শহরকে যতটা গ্রিন (সবুজ) দেখতাম, এখন বোধহয় দেখি না। এ জন্য আমাদের ভিন্ন কিছু করতে হবে। পরিবারে নতুন সন্তান জন্ম নিলে—তা আমাদের নিজেদের হোক বা আত্মীয়স্বজনের, আমরা যদি সেই সন্তানকে স্মরণ করে একটি গাছ রোপণ করি, তাহলে ভালো হয়।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদ্‌যাপন করি ও স্মরণ রাখি, তাহলে নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠবে। এভাবেই সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলন সফল হবে।’সবুজায়নে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবুজের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবেও আমরা অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। সরকার গঠনের পর প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালুর পদক্ষেপ নিয়েছি। কিছুদিন আগে আপনারা দেখেছেন, পত্রপত্রিকায় এসেছে, স্কুলগুলোয় একটি কর্মসূচির আওতায় একসঙ্গে প্রায় ৯০ হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একই সঙ্গে ক্লাইমেট ইউথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু উদ্যোগ আমরা নিয়েছি। এই উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে অবশ্যই আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হব ইনশা আল্লাহ।’বৃক্ষমেলায় একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো (ইশতেহারে) অনুযায়ী, আমরা পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছি। তবে ইচ্ছেমতো গাছ লাগালে এই লক্ষ্য পূরণ হবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, কোন পরিবেশে, কোন মাটিতে, কেমন আবহাওয়ায় কোন প্রজাতির গাছ লাগানো উচিত—এ বিষয়ে আমাদের কমবেশি ধারণা থাকতে হবে এবং এটিকে প্রাধান্য দিয়েই গাছ লাগাতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গাছগুলোকে অবশ্যই পরিহার করা উচিত। একই সঙ্গে নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ—যেমন ঔষধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয় বনজ, ফলদ, অর্থকরী বা বিপন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো খুবই দরকার।’বৃক্ষরোপণের পর তার পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গাছপালা, প্রাণী, মাটি, পানি ও বায়ু—পরিবেশের সবকিছু যেন স্বাভাবিকভাবে মিলেমিশে থাকতে পারে, বনায়নের মাধ্যমে এমন একটি ইকোসিস্টেম বজায় রাখার চেষ্টা করছি আমরা। বর্তমান সরকারের কাজের লক্ষ্য এই পুরো পরিবেশটাকে ঠিকঠাক রাখা।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু গাছ লাগানো বা প্লাস্টিক সরানোই যথেষ্ট নয়। আরও অনেক ইন্টিগ্রেটেড (সমন্বিত) বিষয় আছে, যেগুলোর দিকে আমরা খেয়াল রাখার চেষ্টা করছি। নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপণ করা গাছটি নিরাপদে বেড়ে উঠছে কি না, সেটি নিশ্চিত করাও খুব বেশি জরুরি।’ইকোসিস্টেম রক্ষার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে স্থানীয় ইকোসিস্টেমের অংশ হয়ে থাকা গাছ, যেগুলোকে আমরা মাদার ট্রি বলি, সেগুলো যেন রক্ষা পায়, কেটে ফেলা না হয়, এই বিষয়ে আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আজ এখানে বন বিভাগের বড় কর্মকর্তারা আছেন, আমি আশা করব তারা এই বিষয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্য প্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও যতটা সম্ভব কঠোর অবস্থান নিতে আমরা চেষ্টা করছি। বহুদিনের অভ্যাসের মাইন্ডসেট পরিবর্তন করা খুবই কষ্টসাধ্য একটি কাজ, এটি মানুষকে বুঝিয়ে করাতে হবে। তাই আমি বলেছিলাম, এই বিষয় সমাধান করতে প্রত্যেক মানুষকে যার যতটুকু সম্ভব, যেই পরিবেশে সম্ভব, সেভাবেই পশুপাখি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।’দেশের নদী বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি নদীগুলো বাঁচাতে না পারি, তাহলে আগামীতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে। নদী বাঁচাতে না পারলে কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও পানি নিরাপত্তা- কোনোটিই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই ইকোসিস্টেম রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। উন্নয়ন ও পরিবেশকে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে, প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি রেখে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি গড়ে উঠুক—এটাই বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছাদবাগান, নগর বনায়ন, জিআইএসভিত্তিক বৃক্ষরোপণ, নদী তীর ও খালের দুই পাশে সবুজায়ন এবং ইকো ট্যুরিজমকে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং সর্বোপরি জনজীবনকে প্রতিদিন চ্যালেঞ্জের  ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/bu7wzi41/Untitled-9.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>আসুন, ‘সবুজ, বসতি’গড়ে, তুলি:, প্রধানমন্ত্রী</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>ইরানে হামলার নতুন ফুটেজ প্রকাশ করেছে সেন্টকম</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/ইরানে-হামলার-নতুন-ফুটেজ-প্রকাশ-করেছে-সেন্টকম</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/ইরানে-হামলার-নতুন-ফুটেজ-প্রকাশ-করেছে-সেন্টকম</guid>
        <description><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্র ৭ ও ৮ জুলাই রাতে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা ইরানের ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/2y01q3df/YT-GFX.00033701.Still045.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>ইরানে, হামলার, নতুন, ফুটেজ, প্রকাশ, করেছে, সেন্টকম</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>লোকসানে কর্ণফুলী টানেল, শেখ হাসিনার জন্য নির্মিত অতিথিশালা ইজারা দেওয়া হচ্ছে</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/লোকসানে-কর্ণফুলী-টানেল-শেখ-হাসিনার-জন্য-নির্মিত-অতিথিশালা-ইজারা-দেওয়া-হচ্ছে</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/লোকসানে-কর্ণফুলী-টানেল-শেখ-হাসিনার-জন্য-নির্মিত-অতিথিশালা-ইজারা-দেওয়া-হচ্ছে</guid>
        <description><![CDATA[ কর্ণফুলী টানেলের বাস্তবতা মেলেনি পরিকল্পনার সঙ্গে। টানেল থেকে উঠছে না রক্ষণাবেক্ষণের খরচও ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/79skvujo/WEB.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>লোকসানে, কর্ণফুলী, টানেল, শেখ, হাসিনার, জন্য, নির্মিত, অতিথিশালা, ইজারা, দেওয়া, হচ্ছে</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>এআইইউবিতে ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি অনুধাবন’ শীর্ষ সেমিনার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/এআইইউবিতে-বাংলাদেশের-প্রেক্ষাপটে-দক্ষিণ-এশিয়ার-ভূরাজনীতি-অনুধাবন-শীর্ষ-সেমিনার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/এআইইউবিতে-বাংলাদেশের-প্রেক্ষাপটে-দক্ষিণ-এশিয়ার-ভূরাজনীতি-অনুধাবন-শীর্ষ-সেমিনার</guid>
        <description><![CDATA[ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন (এসপিএফ) এবং রিক্কিও ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এআইইউবি অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি অনুধাবন’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত সেমিনারটি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে প্রমাণভিত্তিক আলোচনা এবং একাডেমিক সংলাপকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সিএমএস ফেলো এবং রিক্কিও ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. নাওনোরি কুসাকাবে। তিনি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞান বিনিময় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমসাময়িক আঞ্চলিক কৌশলগত আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার গুরুত্ব উপস্থাপন করেন।এ ছাড়া সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন সেন্টার ফর মিডল ইস্টার্ন স্টাডিজের (সিএমএস) পরিচালক ড. আকিকো হোরিবা, টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের ইনস্টিটিউট অব গ্লোবাল স্টাডিজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও সিএমএস ফেলো ড. মাসাতো তোরিয়া এবং এসপিএফের প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট মিস কিয়োকা ওইমাতসু। তাঁদের বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে একাডেমিক সহযোগিতা, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং নীতিনির্ভর গবেষণা অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে জাপানের আগ্রহের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।সমাপনী বক্তব্যে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আন্তবিষয়ক গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গঠনমূলক নীতিনির্ধারণী সংলাপকে এগিয়ে নিতে এআইইউবির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এআইইউবির রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম খান। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা অনুধাবনে একাডেমিক গবেষণা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।সেমিনারে এআইইউবির ফিন্যান্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ ‘দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং বাংলাদেশের ভূমিকা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এস এম আলী রেজা ‘বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতির ভবিষ্যৎ’, আন্তর্জাতিক নীতি ও বৈশ্বিক সুশাসনের বিষয় নিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ল’র সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তফা হোসেন ‘আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও জাপানের ভূমিকা’, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কে এম মাহিউদ্দিন ‘দেশীয় রাজনীতি, সুশাসন এবং আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান’, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক সালেহ মো. শাহরিয়ার ‘বাংলাদেশে চীনের সফট পাওয়ার কৌশল’ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) অধ্যাপক শাহাব এনাম খান ‘দক্ষিণ এশিয়ায় জাপানের সম্পৃক্ততা এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের তাৎপর্য’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুর রহমান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারণী বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/195ksict/3.AIUB-Image.jpeg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>এআইইউবিতে, ‘বাংলাদেশের, প্রেক্ষাপটে, দক্ষিণ, এশিয়ার, ভূরাজনীতি, অনুধাবন’, শীর্ষ, সেমিনার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ ইংল্যান্ডের কোয়ানসা</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-ইংল্যান্ডের-কোয়ানসা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-ইংল্যান্ডের-কোয়ানসা</guid>
        <description><![CDATA[ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬–এর মাঠের লড়াই, ম্যাচের ফলাফল ও পয়েন্ট তালিকার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চোখ রাখুন এখানে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/1bj3qzji/2026_07_06T022226Z_316489992_UP1EM7606LBDE_RTRMADP_3_SOCCER_WORLDCUP_MEX_ENG.JPG" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>দুই, ম্যাচ, নিষিদ্ধ, ইংল্যান্ডের, কোয়ানসা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>‘অবিশ্বাস্য’ মেসিতে মুগ্ধ ইয়ামাল</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/অবিশ্বাস্য-মেসিতে-মুগ্ধ-ইয়ামাল</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/অবিশ্বাস্য-মেসিতে-মুগ্ধ-ইয়ামাল</guid>
        <description><![CDATA[ ৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার সামনে লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে এসেও আর্জেন্টিনা অধিনায়কের পারফরম্যান্সে ভাটা পড়েনি বিন্দুমাত্র। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-11-04/sb9kbd8z/Messi-Yamal- AFP.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>‘অবিশ্বাস্য’, মেসিতে, মুগ্ধ, ইয়ামাল</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>মিশুক মুনীর স্মৃতি সম্মাননার জন্য চলচ্চিত্র আহ্বান</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/মিশুক-মুনীর-স্মৃতি-সম্মাননার-জন্য-চলচ্চিত্র-আহ্বান</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/মিশুক-মুনীর-স্মৃতি-সম্মাননার-জন্য-চলচ্চিত্র-আহ্বান</guid>
        <description><![CDATA[ মিশুক মুনীর স্মৃতি সম্মাননা ২০২৬-এর জন্য চলচ্চিত্রগ্রাহকদের (সিনেমাটোগ্রাফার) কাছ থেকে চলচ্চিত্র আহ্বান করা হয়েছে। লিলি-মুনীর মেমোরিয়াল ট্রাস্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশে সম্প্রচার সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্রধারণের মানকে উৎসাহিত করতে ‘মিশুক মুনীর স্মৃতি সম্মাননা’ দেওয়া শুরু হয় ২০২৩ সালে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর লিলি-মুনীর মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে ২০২৪-২৫ সালের সেরা একজন চলচ্চিত্রগ্রাহককে (সিনেমাটোগ্রাফার) সম্মাননা জানানো হবে।অভিজ্ঞ বিচারকদের বিবেচনার জন্য আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে চলচ্চিত্রগ্রাহকদের কাছ থেকে চলচ্চিত্র আহ্বান করা হয়েছে। একজন ব্যক্তি একটি চলচ্চিত্রের জন্যই আবেদন করতে পারবেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মিশুক মুনীরের জন্মদিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিজয়ী ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা সম্মাননা দেওয়া হবে।আবেদনের যোগ্যতা ও প্রক্রিয়াবয়স ও নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।চলচ্চিত্রধারণ: বড় বা ছোট পর্দার জন্য যেকোনো মাধ্যমে প্রস্তুত এবং দর্শকের জন্য সহজলভ্য কাহিনিচিত্র হতে হবে।দৈর্ঘ্য: মুক্তদৈর্ঘ্যপ্রস্তুতকাল: ২০২৪-২৫চূড়ান্ত নির্বাচনে বিবেচ্য: কাহিনির অর্থবহ দৃশ্যমানতা, কারিগরি দক্ষতা, নান্দনিক, মানবিক মূল্যবোধ।মিশুক মুনীরসংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বরসহ আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠানো যাবে। ই–মেইলেও পাঠানো যাবে। আবেদনপত্রে সংক্ষিপ্ত জীবনী, চলচ্চিত্রগ্রাহক/ডিওপি হিসেবে কর্মবৃত্তান্ত, চলচ্চিত্রের সারসংক্ষেপ ও লগ লাইন যুক্ত করতে হবে।অনলাইনে চলচ্চিত্রের লিংক পাঠানোর ই–মেইল ঠিকানা: lily.munier.memorial@gmail.comইউএসবি স্টিক পৌঁছে দেওয়ার ঠিকানা: বাড়ি ১০৭, সড়ক ৪, ব্লক এ, বনানী, ঢাকা ১২১৩।আগ্রহী ব্যক্তিদের কোনো প্রশ্ন থাকলে তা ই–মেইলে পাঠানো যাবে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2016/08/10/491a26b67aaa39d98272f53836ae1923-7.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>মিশুক, মুনীর, স্মৃতি, সম্মাননার, জন্য, চলচ্চিত্র, আহ্বান</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগে’ কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে থানা থেকে প্রত্যাহার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/সুনির্দিষ্ট-অভিযোগে-কোম্পানীগঞ্জের-ওসিকে-থানা-থেকে-প্রত্যাহার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/সুনির্দিষ্ট-অভিযোগে-কোম্পানীগঞ্জের-ওসিকে-থানা-থেকে-প্রত্যাহার</guid>
        <description><![CDATA[ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খানকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের সই করা এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে উপজেলার চোরাকারবারি ও পাথর কোয়ারি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে তিনি এসব কাজে সহযোগিতা করেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া চাঁদাবাজির সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে ওসি সফিকুল ইসলাম খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি সাড়া দেননি। তাই তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।তবে রাত সোয়া ১০টার দিকে যোগাযোগ করলে সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক প্রথম আলোকে বলেন, সফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।এদিকে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সফিকুল ইসলামের সংযুক্তিকরণের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে অফিস আদেশে জানানো হয়। এ ছাড়া ওই থানায় এখনো নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।এর আগে গত ৬ এপ্রিল প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় ‘সবুজ টিলা এখন অনেকটা কঙ্কালসার’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলা থেকে পাথর উত্তোলন ও পাচারে ওসি সফিকুল ইসলাম খানের সহযোগিতা আছে বলে স্থানীয়দের বরাতে জানানো হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি সপ্তাহে এক দিন রাতের বেলা ‘ওসির লাইন’ নাম দিয়ে টিলা এলাকা থেকে পাথর ভোলাগঞ্জে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাথর ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষ ব্যক্তিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ‘ম্যানেজ’ করে এই লাইন পরিচালনা করেন। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/n3073bfv/SylhetDH0529.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>‘সুনির্দিষ্ট, অভিযোগে’, কোম্পানীগঞ্জের, ওসিকে, থানা, থেকে, প্রত্যাহার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল: আগেই ৯ জেলার ফলাফল প্রকাশ, তদন্তে কমিটি</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/প্রাথমিক-বৃত্তি-পরীক্ষার-ফল-আগেই-৯-জেলার-ফলাফল-প্রকাশ-তদন্তে-কমিটি</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/প্রাথমিক-বৃত্তি-পরীক্ষার-ফল-আগেই-৯-জেলার-ফলাফল-প্রকাশ-তদন্তে-কমিটি</guid>
        <description><![CDATA[ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের আগেই আজ ঢাকা বিভাগের ৯ জেলার ফলাফল নির্ধারিত লিংকগুলোতে আপলোড করা হয়েছে। এরপর লিংকগুলো থেকে সাধারণ ব্যবহারীরা ফলাফল আপলোড করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ ছাড়া এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক দুটি আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫–এর ফলাফল ৮ জুলাই প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তুত করা ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকাশের আগে তা ওয়েব পোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাঁকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ৯ জুলাই (আজ বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকগুলোতে আপলোড করা হয়। লিংকগুলো থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল আপলোড করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।আদেশে আরও বলা হয়, লাইভ সার্ভারে লিংক তৈরি এবং আপলোড করার ক্ষেত্রে যে ধরনের নিরাপত্তা প্রটৌকল মেনে চলা উচিত ছিল, তা অনুসরণ করা হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে মেহতাব কায়েস নবম গ্রেডের কর্মকর্তা হওয়ায় তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছে অধিদপ্তর।এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আরেক আদেশে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ফল প্রকাশের ঘটনার তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে অধিদপ্তরের পরিচালককে (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।এর আগে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনা ঘটেছিল। তবে ফল আগামী রোববার প্রকাশ করা হতে পারে।‘কারিগরি ত্রুটিতে’ প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশিত হয়নিএ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ পাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাকি ২০ শতাংশ পাবে বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের প্রার্থীরা। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্য সব জেলায় গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলে। আর পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬ লাখ ৪০ হাজারের কিছু বেশি। তার মধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং ৯০ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) শিক্ষার্থী। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-15/j9vz8sr0/১৪.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>প্রাথমিক, বৃত্তি, পরীক্ষার, ফল:, আগেই, ৯, জেলার, ফলাফল, প্রকাশ, তদন্তে, কমিটি</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>এলডিসি&amp;পরবর্তীকালে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সংস্কার দরকার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/এলডিসি-পরবর্তীকালে-প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা-বাড়াতে-সংস্কার-দরকার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/এলডিসি-পরবর্তীকালে-প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা-বাড়াতে-সংস্কার-দরকার</guid>
        <description><![CDATA[ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ–পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান। আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি-পরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে দ্রুত কাঠামোগত সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শিগগির অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করাও খুবই জরুরি।আইসিসি বাংলাদেশের ৩১তম বার্ষিক কাউন্সিল সভায় এসব কথা বলেন সংগঠনটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। আইসিসি বাংলাদেশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি গ্লোবাল ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান সাঈদ আহমেদ; আইসিসি বাংলাদেশের পর্ষদ সদস্য ও এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের এমডি মীর নাসির হোসেন, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, ফুটওয়্যার লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, মেট্রো চেম্বারের সহসভাপতি ও ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক প্রমুখ।আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। শক্তিশালী প্রবাসী আয়, স্থিতিশীল রপ্তানি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কারণে দেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য স্থিতিশীলতা দেখিয়েছে। তবে একই সঙ্গে কিছু অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জ এখনো অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। এসব মোকাবিলায় সময়োপযোগী ও কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি।ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চলতি বছর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামী বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে।দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে একটি আধুনিক এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত ও সহজ হবে। এতে পরিবহন ব্যয় কমবে। রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/t9sw4ipl/WhatsApp-Image-2026-07-09-at-10.50.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>এলডিসি-পরবর্তীকালে, প্রতিযোগিতা, সক্ষমতা, বাড়াতে, সংস্কার, দরকার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>সুন্দরবনের ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ, জেলেকে উদ্ধার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/সুন্দরবনের-বড়-জাহাঙ্গীর-বাহিনীর-৩-সদস্যের-আত্মসমর্পণ-জেলেকে-উদ্ধার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/সুন্দরবনের-বড়-জাহাঙ্গীর-বাহিনীর-৩-সদস্যের-আত্মসমর্পণ-জেলেকে-উদ্ধার</guid>
        <description><![CDATA[ কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক অভিযানের মুখে সুন্দরবন এলাকার ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তিন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে এক জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার কোস্টগার্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথাগুলো জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা থানার সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন কলামুলি খাল এলাকায় বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাঁরা কোস্টগার্ডের কাছে দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পাইপগান, ৪০টি তাজা কার্তুজ ও একটি ওয়াকিটকি জমা দেন। একই সময়ে তাঁদের হাতে জিম্মি থাকা এক জেলেকেও উদ্ধার করা হয়।আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার আলামিন হোসেন (৪০), সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তৈবুর রহমান (২৪) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মনিরুজ্জামান মামুন (২০)। কোস্টগার্ডের ভাষ্য, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনে বনদস্যু দমন ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অভিযানে ৪৯টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০টি গুলি, ৩১৬টি কার্তুজ, ১০৮টি ফাঁকা কার্তুজ, ১৯৪টি এয়ারগানের গুলি ও দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪২ জন বনদস্যুকে আটক এবং দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।সুন্দরবনের ‘ছোট সুমন বাহিনী’র সাত সদস্যও এর আগে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণকারী তিন দস্যুর পুনর্বাসন, জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ সংক্রান্ত আইনগত কার্যক্রম এবং উদ্ধার হওয়া জেলেকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা সুন্দরবনের সক্রিয় দস্যুদের আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁরা বলেন, যারা আত্মসমর্পণ না করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’(শূন্য সহনশীলতা) নীতির আলোকে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/j9qj9p5p/coast-gurd.jpeg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>সুন্দরবনের, ‘বড়, জাহাঙ্গীর, বাহিনী’র, ৩, সদস্যের, আত্মসমর্পণ, জেলেকে, উদ্ধার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>ভার্চ্যুয়াল লেখালেখি কর্মশালার প্রথম সেশন শুক্রবার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/ভার্চ্যুয়াল-লেখালেখি-কর্মশালার-প্রথম-সেশন-শুক্রবার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/ভার্চ্যুয়াল-লেখালেখি-কর্মশালার-প্রথম-সেশন-শুক্রবার</guid>
        <description><![CDATA[ কর্মশালার জন্য প্রায় ৩০০ জন তরুণ লেখক অনলাইনের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন। সঠিকভাবে নিবন্ধনকৃতদের এরই মধ্যে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে প্রথম সেশনের জুম লিংক দেওয়া হয়েছে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-25/yzxwhpv5/Untitled-1.jpg.jpeg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>ভার্চ্যুয়াল, লেখালেখি, কর্মশালার, প্রথম, সেশন, শুক্রবার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>কক্সবাজারে ভূমিধসে ৪ শিশুর মৃত্যুতে ইউনিসেফের উদ্বেগ</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/কক্সবাজারে-ভূমিধসে-৪-শিশুর-মৃত্যুতে-ইউনিসেফের-উদ্বেগ</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/কক্সবাজারে-ভূমিধসে-৪-শিশুর-মৃত্যুতে-ইউনিসেফের-উদ্বেগ</guid>
        <description><![CDATA[ কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধসে চার কন্যাশিশুর প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। আজ বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, গতকাল বুধবার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, তাতে অন্তত চার কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় ইউনিসেফ গভীরভাবে শোকাহত। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিরূপণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও তাদের পরিবারের প্রতি সংস্থাটি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে।ইউনিসেফ বলছে, ‘একের পর এক এমন জরুরি অবস্থা আমাদের সামনে তুলে ধরেছে যে অতি নাজুক পরিবেশে বসবাসকারী শিশু ও তাদের পরিবারের জন্য এই বর্ষা মৌসুম কতটা ঝুঁকি নিয়ে এসেছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় শরণার্থীশিবিরগুলোতয় বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি আরও বাড়ছে। এতে শরণার্থীশিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা শিশু ও তাদের পরিবারের জন্য প্রাণহানির ঝুঁকি সৃষ্টির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সেবাগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রেও বিঘ্ন তৈরি হচ্ছে।’বর্তমানে ইউনিসেফ ও তাদের অংশীজনেরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারি কর্তৃপক্ষ ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও তাদের পরিবারগুলোকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদানে ইউনিসেফ প্রস্তুত রয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্ষা মৌসুমজুড়ে শিশুরা যেন নিরাপদে থাকে এবং সম্ভাব্য সব জায়গায় তারা যেন স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি, সুরক্ষা, মনোসামাজিক সহায়তা, শিক্ষাসহ জরুরি সেবাগুলো পায়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী অংশীজনদের সহযোগিতা প্রদানে ইউনিসেফ তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। ]]></description>
        <enclosure url="http://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/a3fqf3dv/Untitled-8.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:45 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>কক্সবাজারে, ভূমিধসে, ৪, শিশুর, মৃত্যুতে, ইউনিসেফের, উদ্বেগ</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>Hawa Movie Download Link | Bangla Full Movie 1080p, 720p HD</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/hawa-movie-download-link</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/hawa-movie-download-link</guid>
        <description><![CDATA[ Hawa full movie download link 1080p, 720p HD. চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত তুমুল জনপ্রিয় &#039;হাওয়া&#039; সিনেমা ডাউনলোড লিংক এবং কীভাবে সম্পূর্ণ মুভিটি ফ্রিতে হাই কোয়ালিটিতে দেখবেন বা ডাউনলোড করবেন তা জেনে নিন। Hawa bangla movie download. ]]></description>
        <enclosure url="http://encrypted-tbn0.gstatic.com/images" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:37:56 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>hawa movie download, hawa movie download link, hawa full movie free download, hawa bangla movie download, hawa movie 1080p download, hawa movie 720p download, hawa full movie watch online, হাওয়া মুভি ডাউনলোড লিংক, হাওয়া ফুল মুভি ডাউনলোড, হাওয়া সিনেমা ডাউনলোড, how to download hawa movie, hawa movie link, chanchal chowdhury hawa movie, gulabi movie download</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>Poran Movie Download Link | Bangla Full Movie 1080p, 720p HD</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/poran-movie-download-link</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/poran-movie-download-link</guid>
        <description><![CDATA[ Poran full movie download link 1080p, 720p HD. রাজ এবং মিম অভিনীত ব্লকবাস্টার &#039;পরাণ&#039; সিনেমা ডাউনলোড লিংক এবং কীভাবে সম্পূর্ণ মুভিটি হাই কোয়ালিটিতে ফ্রিতে দেখবেন তা বিস্তারিত জানুন। Poran bangla movie download. ]]></description>
        <enclosure url="http://encrypted-tbn0.gstatic.com/images" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:35:27 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>poran movie download, poran movie download link, poran full movie free download, poran bangla movie download, poran movie 1080p download, poran movie 720p download, poran full movie watch online, পরাণ মুভি ডাউনলোড লিংক, পরাণ ফুল মুভি ডাউনলোড, পরাণ সিনেমা ডাউনলোড, how to download poran movie, poran movie link, sariful razz poran movie</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>Priyotoma Movie Download Link | Full Movie 1080p, 720p HD</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/priyotoma-movie-download-link</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/priyotoma-movie-download-link</guid>
        <description><![CDATA[ Priyotoma full movie download link 1080p, 720p HD. শাকিব খানের জনপ্রিয় প্রিয়তমা সিনেমা ডাউনলোড লিংক এবং কীভাবে ফ্রিতে সম্পূর্ণ মুভিটি হাই কোয়ালিটিতে দেখবেন বা ডাউনলোড করবেন তা বিস্তারিত জানুন। Priyotoma movie free download process. ]]></description>
        <enclosure url="http://encrypted-tbn0.gstatic.com/images" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:31:25 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>priyotoma movie download, priyotoma movie download link, priyotoma full movie free download, priyotoma bangla movie download, priyotoma movie 1080p download, priyotoma movie 720p download, priyotoma movie shakib khan, priyotoma full movie watch online, প্রিয়তমা মুভি ডাউনলোড লিংক, প্রিয়তমা ফুল মুভি ডাউনলোড, প্রিয়তমা সিনেমা ডাউনলোড, শাকিব খানের প্রিয়তমা মুভি, how to download priyotoma movie, priyotoma movie link</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>Toofan movie dwonload link</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/tofan-movie-dwonload-link</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/tofan-movie-dwonload-link</guid>
        <description><![CDATA[ Toofan full movie download link 1080p, 720p HD. তুফান সিনেমা ডাউনলোড লিংক এবং কীভাবে ফ্রিতে সম্পূর্ণ মুভিটি দেখবেন বা ডাউনলোড করবেন তা বিস্তারিত জেনে নিন। Toofan movie download process and updates. ]]></description>
        <enclosure url="http://encrypted-tbn0.gstatic.com/images" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:29:36 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>toofan movie download, toofan movie download link, toofan full movie download 1080p, toofan full movie free download, তুফান মুভি ডাউনলোড লিংক, toofan bangla movie download, how to download toofan movie</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>deposit chara online income 2026 | Free income site 2026 bangladesh | Earn money online</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/free-income-site-2026-697</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/free-income-site-2026-697</guid>
        <description><![CDATA[ In this video, we will explore various legitimate online earning methods that allow you to start earning without investing a single penny. Whether you&#039;re looking for a side hustle or a full-time online career, these opportunities are perfect for anyone wanting to earn money from the comfort of their home. ]]></description>
        <enclosure url="http://bbhglobal.xyz/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d5f260d7e2.jpg" length="151506" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:21:43 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>online income, online income 2026, online income bd, অনলাইন ইনকাম, online income 2026 bangladesh, online income bd payment bkash, free income site 2026 bangladesh, deposit sara online income, free income site 2026, telegram theke taka income, online income bangla, online income site, online income site 2026, Easy way to earn money, Free income site 2026, Earn Money Online 2026, best ways to make money online, Earn free online income 2026, deposit chara online income 2026</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>deposit chara online income 2026 | Free income site 2026 bangladesh | Earn money online</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/free-income-site-2026</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/free-income-site-2026</guid>
        <description><![CDATA[ deposit chara online income 2026 | Free income site 2026 bangladesh | Earn money online
Welcome to this informative video on how you can earn money online without any deposit in 2026! ????????
In this video, we will explore various legitimate online earning methods that allow you to start earning without investing a single penny. Whether you&#039;re looking for a side hustle or a full-time online career, these opportunities are perfect for anyone wanting to earn money from the comfort of their home.
???? What You&#039;ll Learn:
Easy and free ways to earn money online
Best platforms and websites for earning without deposit
Tips for getting started and making consistent income
No investment, no risk – just a great way to start your online income journey!
Stay tuned, as we also discuss the latest trends in online income for 2026, and how you can stay ahead of the curve to maximize your earnings!
???? Don’t forget to like, share, and subscribe for more exciting content on online income, tips, and tricks to make money from home.
????যে কোনো ধরনের আর্নিং অ্যাপস নিতে যোগাযোগ করুন:
☎️ Telegram: https://t.me/phlabbd25
☎️ Whatsapp: https://wa.me/+8801771096598
☎️ Whatsapp: 01771096598
???? Timestamps:
00:00 - Introduction
01:00 - Online Income Without Deposit
01:30 - Top Platforms for Earning
02:00 - How to Get Started
#OnlineIncome2026 #EarnMoneyOnline #NoDepositIncome #WorkFromHome #PassiveIncome #SideHustle #FreeEarning #OnlineJobs #IncomeWithoutInvestment #MoneyMakingTips #OnlineBusiness ]]></description>
        <enclosure url="http://bbhglobal.xyz/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d5f260d7e2.jpg" length="151506" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:16:57 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>online income, online income 2026, online income bd, অনলাইন ইনকাম, online income 2026 bangladesh, online income bd payment bkash, free income site 2026 bangladesh, deposit sara online income, free income site 2026, telegram theke taka income, online income bangla, online income site, online income site 2026, Easy way to earn money, Free income site 2026, Earn Money Online 2026, best ways to make money online, Earn free online income 2026, deposit chara online income 2026</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>৪৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে আশ্বস্ত করলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/৪৫-বিশ্ববিদ্যালয়ের-উপাচার্যকে-আশ্বস্ত-করলেন-ইউজিসি-চেয়ারম্যান</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/৪৫-বিশ্ববিদ্যালয়ের-উপাচার্যকে-আশ্বস্ত-করলেন-ইউজিসি-চেয়ারম্যান</guid>
        <description><![CDATA[ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে ইউজিসিতে এ বৈঠক হয়।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দের বিষয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন ও করণীয় নিয়ে এ বৈঠক হয়।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- গবেষণা বাজেট ইউজিসির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হলেও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকবে বলে উপাচার্যদের জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
তিনি বলেন, গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু, কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি গবেষণা বাজেট ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করবে ইউজিসি।
সভায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব কোডের পরিবর্তে ইউজিসির কোডে গবেষণা বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার ফলে কিছু প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের স্বায়ত্তশাসনের চর্চা বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- গবেষণা বাজেট একটি নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ইউজিসি সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে, তবে এ কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণা খাতে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাতে ব্যয় করা হবে। অর্থবছরের শুরুতেই স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণার জন্য প্রস্তাব আহ্বান করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গবেষণা প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে ইউজিসিতে পাঠাবে। পরবর্তীতে জাতীয় অগ্রাধিকার ও গবেষণার গুণগত মান বিবেচনা করে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই গবেষণা বাজেট বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা চাহিদা দ্রুত সংগ্রহ করা হবে এবং প্রস্তাব পাওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে গবেষণা কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণা বাজেট বাস্তবায়ন হলেও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাদ্দ কমবে না। বরং আগের বছরের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরও বেশি অর্থ পাওয়ার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে দেশের আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও গবেষণা বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাবে এবং কোনো বৈষম্য সৃষ্টি হবে না।
ড. মামুন আহমেদ বলেন, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রমে মোট ৮৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৭৯৩ কোটি টাকা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৫৬ কোটি টাকা পেয়েছে। এ অর্থের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব গবেষণা তহবিল, ইউজিসির গবেষণা অনুদান এবং হিট ও আইসিএসটিইপি প্রকল্পের আওতায় দেওয়া অর্থায়ন অন্তর্ভুক্ত ছিল।


আরও পড়ুন




উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতে জাতীয় নীতি কাঠামো করছে ইউজিসি



ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেটে গবেষণা খাতে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর সঙ্গে হিট ও আইসিএসটিইপ প্রকল্পের অর্থায়ন যুক্ত হলে চলতি অর্থবছরে গবেষণায় মোট বরাদ্দ প্রায় ৮৫২ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। গবেষণায় অর্থায়নে কোনো সংকট হবে না। বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, গবেষণায় বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশে একটি সমন্বিত গবেষণা ইকোসিস্টেম এবং জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণার তথ্য সংরক্ষণ, আদান-প্রদান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পাবে।
ড. মামুন আহমেদ জানান, ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন এবং ইমপ্রুভিং কম্পিউটার অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং টারশিয়ারি এডুকেশন প্রকল্পের আওতায়ও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন করা হচ্ছে।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, তাদের মনোনীত প্রতিনিধি এবং ইউজিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গবেষণা অর্থায়নে আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত হবে এবং দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে গবেষণার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।
জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে ইউজিসি। নতুন সিদ্ধান্ত হলো গবেষণা মঞ্জুরির অর্থ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি দেওয়া হবে না। এ অর্থ ব্যয় হবে ইউজিসির মাধ্যমে। তবে এ সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকরা অসন্তুষ্ট।
এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল। সংগঠনটির দাবি, গবেষণা তহবিল সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ইউজিসির মাধ্যমে পরিচালিত হলে গবেষণা কার্যক্রম, একাডেমিক স্বায়ত্তশাসন এবং গবেষকদের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় সাদা দল। পরে ইউজিসির পক্ষ থেকে বিষয়টির ব্যাখ্যা দেওয়ার পর এবার ভিসিদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
এএএইচ/এমআইএইচএস/ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/ugc-2-20260709213449-mrdoodi6zxid8ao-20260709215409.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>৪৫, বিশ্ববিদ্যালয়ের, উপাচার্যকে, আশ্বস্ত, করলেন, ইউজিসি, চেয়ারম্যান</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার, আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বাণিজ্য-ঘাটতি-বেড়ে-২৪-বিলিয়ন-ডলার-আর্থিক-হিসাবে-বড়-উদ্বৃত্ত</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বাণিজ্য-ঘাটতি-বেড়ে-২৪-বিলিয়ন-ডলার-আর্থিক-হিসাবে-বড়-উদ্বৃত্ত</guid>
        <description><![CDATA[ বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যের উচ্চমূল্য, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক ধীর থাকায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৪ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া এপ্রিলের তুলনায় শুধু মে মাসেই বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে এক দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ ব্যালান্স অব পেমেন্ট (বিওপি) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত দেখা গেছে। পাশাপাশি চলতি হিসাবের ঘাটতিও কমেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিগত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার। মে মাস শেষে তা বেড়ে ২৩ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ঘাটতি বেড়েছে এক দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ৪ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।


আরও পড়ুন




ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে পরিকল্পনার কথা জানালেন মন্ত্রী



বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে দেশে মোট পণ্য আমদানি হয়েছে ৬৪ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলারের। একই সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৪০ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলারের। ফলে ১১ মাসে পণ্য বাণিজ্যে মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।
এর আগের অর্থবছর শেষে পণ্য বাণিজ্যের ঘাটতি কমে ২০ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যা ছিল ২২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার।
চলতি হিসাবের ঘাটতি কমেছে
বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট) ঘাটতি আগের তুলনায় কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০ কোটি ১০ লাখ ডলার। অথচ প্রথম ১০ মাস শেষে এই ঘাটতি ছিল এক দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার।
এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে চলতি হিসাবের ঘাটতি ছিল ৭৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এ সূচকেও উন্নতি হয়েছে।
আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত
বিওপির আর্থিক হিসাবে (ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট) শক্তিশালী উদ্বৃত্ত ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ হিসাবে উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার।


আরও পড়ুন




নরসিংদী পাটকলের জমি লিজ, বিনিয়োগ হবে ১০৫০ কোটি টাকা



অর্থবছরের শুরুতে জুলাই মাসে এ হিসাবে ৯১ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ঘাটতি থাকলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়। সেপ্টেম্বর শেষে উদ্বৃত্ত দাঁড়ায় এক দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার, ডিসেম্বর শেষে তা ২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার এবং মার্চ শেষে ৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। মে মাস শেষে উদ্বৃত্ত ৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে আর্থিক হিসাবে ২১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ঘাটতি ছিল।
সামগ্রিক লেনদেনে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি উদ্বৃত্ত
ব্যালান্স অব পেমেন্টের সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যেও (ওভারঅল ব্যালান্স) ইতিবাচক অবস্থান বজায় রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সামগ্রিক উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৪০১ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার।
যদিও অর্থবছরের শুরুতে জুলাই মাসে ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঘাটতি ছিল, তবে আগস্ট শেষে তা কমে আসে। সেপ্টেম্বর শেষে উদ্বৃত্ত হয় ৮৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার।পরবর্তী মাসগুলোতেও ধারাবাহিকভাবে উদ্বৃত্ত বাড়তে থাকে।
এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছর ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত নিয়ে শেষ হয়েছিল। এছাড়া, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামগ্রিক লেনদেনে ৪ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ছিল।
ইএআর/কেএসআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/bb-import-mrdompllo6oadlb-20260709215135.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বাণিজ্য, ঘাটতি, বেড়ে, ২৪, বিলিয়ন, ডলার, আর্থিক, হিসাবে, বড়, উদ্বৃত্ত</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>রায় প্রকাশের আগে সারোয়ার আলমগীরের শপথ, প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/রায়-প্রকাশের-আগে-সারোয়ার-আলমগীরের-শপথ-প্রশ্ন-তুললেন-শিশির-মনির</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/রায়-প্রকাশের-আগে-সারোয়ার-আলমগীরের-শপথ-প্রশ্ন-তুললেন-শিশির-মনির</guid>
        <description><![CDATA[ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। একই দিন সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই কমিশনের এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের আইনজীবী শিশির মনির। তার প্রশ্ন, হাইকোর্টের রায় প্রকাশের আগে শপথ দেওয়া যায়?
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর না রাখার অবস্থান বহাল রাখে।
রায়ের পর সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করা আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এ রায়ের ফলে তার মক্কেলের নির্বাচনি গেজেট প্রকাশ ও শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।


আরও পড়ুন




বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই



তবে এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে এবং শপথের উদ্যোগ নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন নুরুল আমিনের আইনজীবী শিশির মনির। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, তখনো হাইকোর্টের রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়নি, বিচারকরা রায়ে সইও করেননি এবং আদালত থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আদেশ বা নথি পাঠানো হয়নি।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কিসের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করল? তার ভাষ্য, যদি কমিশন কেবল আইনজীবীর সনদ, সংবাদ প্রতিবেদন বা মৌখিক তথ্যের ভিত্তিতে গেজেট প্রকাশ করে থাকে, তাহলে তা আদালতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার শামিল।
শিশির মনির আরও বলেন, প্রকাশ্যেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে। সেই সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার আগেই গেজেট প্রকাশ এবং শপথের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আদালতের প্রক্রিয়ার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে না বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, রায়ের কপি নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছানোর আগে গেজেট প্রকাশ বা শপথের উদ্যোগ আইনসম্মত হতে পারে কি না, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের আচরণকে রহস্যজনক আখ্যা দিয়ে বলেন, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এমন পদক্ষেপ প্রত্যাশিত নয়। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।
এ মামলার শুনানিতে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী এবং সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণ খেলাপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে।


আরও পড়ুন




বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন জামায়াত প্রার্থী



ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার আলমগীর। ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়ে রুল জারি করে।
পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন মো. নুরুল আমিন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ মঞ্জুর করে। তবে সারোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হন। কিন্তু আপিল বিভাগের নির্দেশনার কারণে তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
পরবর্তীতে মো. নুরুল আমিনের করা আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে যত দ্রুত সম্ভব, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়। সে অনুযায়ী সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনী ফলাফল এতদিন প্রকাশিত হয়নি।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেয়। ওই রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং শপথ গ্রহণের উদ্যোগ নেয়, যা নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এফএইচ/এমআইএইচএস/ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/shishir-monir-mrdm02soroth66u-20260709203820-mrdo3egpp0dt4tf-20260709213430.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>রায়, প্রকাশের, আগে, সারোয়ার, আলমগীরের, শপথ, প্রশ্ন, তুললেন, শিশির, মনির</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>এবার বাস্তবের ‘মোয়ানা’ আসছে পর্দায়</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/এবার-বাস্তবের-মোয়ানা-আসছে-পর্দায়</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/এবার-বাস্তবের-মোয়ানা-আসছে-পর্দায়</guid>
        <description><![CDATA[ অ্যানিমেশন সিনেমাপ্রেমীদের কাছে ‘মোয়ানা’ ভীষণ জনপ্রিয় একটি নাম। ডিজনির এই মিউজিক্যাল অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা মুক্তি পায় ২০১৬ সালে। দর্শকদের দারুণ সাড়া পাওয়া সিনেমাটি বক্স অফিসও মাত করেছে। ঘরে তুলেছে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ডিজনি নিয়ে আসে এর সিকুয়েল ‘মোয়ানা ২’।
এর সাফল্য ছাড়িয়ে যায় আগের সিনেমাকেও। আয় করে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে অগণিত ‘মোয়ানা’ ভক্ত তৈরি হয়ে যায়। আর এই ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণে আবারও পর্দায় আসছে ‘মোয়ানা’। তবে এবার অ্যানিমেশন নয়, লাইভ অ্যাকশনে। এবার চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন বাস্তবের শিল্পীরা।
অবশ্য অ্যানিমেশনও থাকবে কিছু কিছু। টমাস কাইল পরিচালিত ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্সের এই সিনেমা আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ১০ জুলাই। বাংলাদেশের দর্শকরা আনন্দিত হতে পারেন এজন্য যে, একই দিনে স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।


আরও পড়ুন




গৌরীকে বিয়ের পর আমির খানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন শাহরুখ



লাইভ-অ্যাকশন মোয়ানার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো মাউই চরিত্র। সিনেমায় এ চরিত্রে অভিনয় করেন ডোয়াইন জনসন। তিনি এই চরিত্রটিতে ২০১৬ সালের অ্যানিমেটেড সংস্করণে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। এই অভিনেতার কাছে মাউই কেবল একটি চরিত্র নয়, বরং পলিনেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও একটি অংশ। দশকেরও বেশি সময় ধরে অ্যানিমেশনে ‘মাউই’ চরিত্রের নেপথ্যে কণ্ঠ দেওয়ার পর, এবার সরাসরি ক্যামেরার সামনে সেই চরিত্রে অভিনয় করাকে নিজের ক্যারিয়ারের অনন্য অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেছেন ডোয়াইন জনসন।
এক সাক্ষাৎকারে ‘মাউই’ নিয়ে আবেগী হয়ে পড়েন দ্য রক, ‘লাইভ অ্যাকশনে মাউই চরিত্রে অভিনয় করা আমার ক্যারিয়ারের অন্য সব কাজ থেকে একদম আলাদা। পর্দায় যখন রক্ত-মাংসের মানুষের মাধ্যমে আমাদের পলিনেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ ফুটে ওঠে, তখন অনুভূতিটাই বদলে যায়।’ জনসন জানান, গত এক দশকে একজন বাবা হিসেবে তার জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও উত্থান-পতন এ চরিত্রটিকে আরও গভীরভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
এ ছাড়া চরিত্রটির সঙ্গে তার একটি ব্যক্তিগত আবেগও জড়িয়ে আছে। ‘মাউই’ চরিত্রের মধ্যে তিনি নিজের দাদার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান। পাশাপাশি হাওয়াইতে কাটানো তার শৈশব ও বেড়ে ওঠার দিনগুলোর স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই গল্পের সঙ্গে। অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে ৩২ হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে কাস্টিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোয়ানা সিনেমার প্রধান নারী চরিত্রে নবাগত ক্যাথরিন লাগাইয়াকে নেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন




বিয়ের আগে মেয়েদের যে পরামর্শ দিলেন সেলিনা জেটলি



পরিচালক টমাস কাইল বলেন, প্রথম অডিশনেই তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন, যখন অভিনেত্রী ‘হাউ ফার আই’ল গো’ গানটি গেয়ে চরিত্রটির বিশ্ব ভ্রমণের আকাঙ্খা ফুটিয়ে তুলেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেয়া সামোয়ান বংশোদ্ভূত ক্যাথরিন লাগাইয়া বলেন, মোয়ানা এমন একজন আদর্শ যিনি তার শৈশবের সঙ্গী ছিলেন। এই অভিনেত্রী বিশ্বাস করেন মোয়ানার সাহস, কৌতূহল তাকে আজকের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও সাহায্য করেছে। যার ফলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই চরিত্রটির সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছেন।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে সাহসী কিশোরী মোয়ানা, যে নিজের দ্বীপ ও জনগণকে রক্ষা করতে এক বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বের হয়।
এই অভিযানে তার সঙ্গী হয় শক্তিশালী কিন্তু অহংকারী অর্ধ-দেবতা গধঁর। নানা বাধা পেরিয়ে তারা প্রকৃতির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। মূল গল্পের আবেগ, পরিবার, দায়িত্ববোধ এবং নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার বিষয়গুলো লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণেও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রাখা হয়েছে।
এরইমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে ভক্তদের যে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে তাতে আরও একটি দুর্দান্ত সাফল্যের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এমএমএফ/জেআইএম ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/moyana-20260709213312.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>এবার, বাস্তবের, ‘মোয়ানা’, আসছে, পর্দায়</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>‘মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ’ বিলসহ দুটি বিল সংসদে উত্থাপনের পরে প্রত্যাহার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/মদ-ও-জুয়া-নিষিদ্ধকরণ-বিলসহ-দুটি-বিল-সংসদে-উত্থাপনের-পরে-প্রত্যাহার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/মদ-ও-জুয়া-নিষিদ্ধকরণ-বিলসহ-দুটি-বিল-সংসদে-উত্থাপনের-পরে-প্রত্যাহার</guid>
        <description><![CDATA[ দেশে মদপান, মদ জাতীয় পানীয় ও জুয়া খেলা নিষিদ্ধের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘মদ ও জুয়া (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০২৬’ এর বিল উত্থাপনের প্রস্তাব করেও তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) অ্যাক্ট ২০২৬’ বিলটিও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।   চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিন বিল দুটি উত্থাপন করেন। এর পর তা প্রত্যাহার করে নেন তিনি।
বেসরকারিভাবে উত্থাপিত বিল দুটি উত্থাপনের পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিল দুটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। এ সময় তিনি বলেন, সংসদ সদস্য যে দুটি আইন এনেছেন সে দুটি আইন আছে। আমরা এই সংসদে এই অধিবেশনে জুয়া আইন ২০২৬, বিল পাস করেছি। অলরেডি পাস হয়েছে। আরেকটি হলো—২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন একটা আছে। সে আইনের সেকশন দুইয়ের সাব-সেকশন পাঁচ, সেকশন দুইয়ের সাব-সেকশন ২৪, সেকশন দুইয়ের সাব-সেকশন ২৯ এবং সেকশন ১১ পড়লে উনি যে উদ্দেশ্যে বিলটা আনছেন ওটা কাভার হয়ে যায়। এই বিলটি প্রত্যাহারের জন্য উনাকে অনুরোধ করছি। এরপর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিলটি প্রত্যাহার করে নেন।   


আরও পড়ুন




পানিসম্পদ মন্ত্রী / সংসদে বিল উত্থাপনের মধ্য দিয়ে গণভোটের কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে



এরপর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদকে বলেন, যেহেতু সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী আইনমন্ত্রীর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি উত্থাপন না করার জন্য সম্মত হয়েছেন সেহেতু বিলটি আমি আর ভোটে দিচ্ছি না।
যে কারণে মদ ও জুয়া (নিষিদ্ধকরণ) আইনের বিলটি আনা হয় 
বিলের শিরোনামে বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং মদ ও জুয়ার প্রভাবে সৃষ্ট পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি রোধ, তরুণ ও যুব সমাজকে মদ ও জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে সামাজিক অবক্ষয় রোধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে আনা হয়।    


আরও পড়ুন




আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী



বিল উত্থাপনের কারণ দেখিয়ে বিলে বলা হয়, মদ ও জুয়া তরুণ ও যুব সমাজের ওপর অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং এ ধরনের আসক্তি তরুণদের নৈতিক মূল্যবোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। মদ্যপান ও জুয়ার প্রতি আকৃষ্ট হলে তারা অপরাধপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে সহজে অর্থ উপার্জনের লোভে তাদের মানসিক অস্থিরতা, হতাশা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ধাবিত করে। যেহেতু মদ্যপানের ফলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয় এবং পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে, এছাড়া এসব আসক্তি যুবসমাজের সৃজনশীলতা, কর্মক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ কমিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নৈতিকতা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়। 


আরও পড়ুন




৫ বছরের বেশি পুরোনো মামলা চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তি হবে: আইনমন্ত্রী



অন্যদিকে, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) অ্যাক্ট, ২০২৬’ বিলে ময়নাতদন্তের প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক ও শরিয়তসম্মত পদ্ধতি গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়। এতে বিশেষ করে নারীদের মরদেহ পর্দার আড়ালে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা এবং সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্বজনদের আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন বা সৎকারের সুযোগ রাখার বিধান প্রস্তাব করা হয়েছিল।
এমওএস/এমএমকে ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/parliment-mrdntoddk92x5fg-20260709213039.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>‘মদ, ও, জুয়া, নিষিদ্ধকরণ’, বিলসহ, দুটি, বিল, সংসদে, উত্থাপনের, পরে, প্রত্যাহার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>১৫ দিনেই মিলছে ইউরোপের স্বঘোষিত দেশের নাগরিকত্ব! আসল ঘটনা কী?</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/১৫-দিনেই-মিলছে-ইউরোপের-স্বঘোষিত-দেশের-নাগরিকত্ব-আসল-ঘটনা-কী</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/১৫-দিনেই-মিলছে-ইউরোপের-স্বঘোষিত-দেশের-নাগরিকত্ব-আসল-ঘটনা-কী</guid>
        <description><![CDATA[ ইউরোপের বলকান অঞ্চলে ক্রোয়াশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যবর্তী দানিউব নদীর অববাহিকায় এক টুকরো দাবিহীন জমিকে (Terra nullius) কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক স্বঘোষিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বা মাইক্রোনেশন (Micronation) হলো ‘ফ্রি রিপাবলিক অব ভার্ডিস’ (Free Republic of Verdis)। ২০১৯ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সী (বর্তমানে ২১ বছর) ব্রিটিশ-অস্ট্রেলিয়ান তরুণ ড্যানিয়েল জ্যাকসন নিজেকে এই দেশের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শেখ তানিম হোসেন ও আল-মুজাহিদুল সাকিব নামে দুই যুবক ১৫-১৬ দিনের মধ্যে এই দেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এরপর থেকেই মূলত ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, মাত্র ১০-১৫ কিংবা ২০ দিনের মধ্যেই এই দেশের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব। এই বিষয়ের সত্যতা, আইনি ভিত্তি ও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো:
‘ফ্রি রিপাবলিক অব ভার্ডিস’ কোনো আন্তর্জাতিকভাবে বা জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত দেশ নয়। ভ্যাটিকান সিটির মতো আয়তনের এই অঞ্চলটি ক্রোয়াশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যকার একটি পুরোনো সীমান্ত বিরোধের কারণে দীর্ঘকাল ধরে পরিত্যক্ত বা ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ হিসেবে পড়ে ছিল। ড্যানিয়েল জ্যাকসন নামের ওই তরুণ আন্তর্জাতিক আইনের একটি ফাঁকফোকর (কোনো জমি কেউ দাবি না করলে তা নিজের দাবি করা যায়) ব্যবহার করে এখানে নিজস্ব পতাকা ও রাষ্ট্রীয় প্রতীক তৈরি করেন।
বর্তমানে ইন্টারনেট-ভিত্তিক এই মাইক্রোনেশনের প্রায় ৪০০ জন ডিজিটাল নাগরিক রয়েছেন।
ফ্রি রিপাবলিক অব ভার্ডিস- এর ‘পরিকল্পিত’ মানচিত্র/ ছবি: verdisgov.org


আরও পড়ুন




ইউরোপের সবচেয়ে সাশ্রয়ী দেশ কোনটি? কীভাবে পাবেন ভিসা



১০-১৫ দিনে নাগরিকত্ব: সত্যি নাকি বিভ্রান্তি?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ‘১০-১৫ দিনে নাগরিকত্ব পাওয়ার’ দাবিটি আংশিক সত্য কিন্তু বড় রকমের বিভ্রান্তিকর। ভার্ডিস সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল (verdisgov.org) অনুযায়ী, তাদের একটি ডিজিটাল নাগরিকত্ব বা ই-রেসিডেন্সি (e-Residency) প্রোগ্রাম চালু রয়েছে।
১৪ দিনের অনুমোদন প্রক্রিয়া: একজন ব্যক্তি যখন তাদের অনলাইন পোর্টাল বা ‘myGov’ অ্যাকাউন্টে ই-রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করেন, তখন ট্রাফিকের ওপর ভিত্তি করে সরকারি কর্মকর্তাদের ম্যানুয়ালি সেই আবেদন বা অ্যাকাউন্ট অনুমোদন করতে ১০ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে।
ভুল ব্যাখ্যা: মূলত এই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল পোর্টালের অনুমোদন পাওয়ার সময়সীমাটিকেই ইন্টারনেটে অনেকে ‘১০-১৫ দিনে ইউরোপের দেশের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট’ বলে ভুলভাবে প্রচার করছেন।
ফ্রি রিপাবলিক অব ভার্ডিসের পতাকা হাতে দেশটির স্বঘোষিত প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল জ্যাকসন/ ছবি: verdisgov.org


আরও পড়ুন




নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম কঠিন করছে সুইডেন



আসল নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনি নিয়ম
ভার্ডিস সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, মাত্র ১৫ দিনে কোনো পূর্ণাঙ্গ নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট পাওয়া যায় না। এর জন্য নির্দিষ্ট আইনি ধাপ রয়েছে:
ই-রেসিডেন্সি প্লাস (e-Residency Plus): প্রথমত, ২৫ থেকে ১০০ ইউরো ফি দিয়ে ই-রেসিডেন্সি নিতে হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকার কিছু বেশি। নাগরিকত্বের মূল পথটি তৈরি হয় ‘ই-রেসিডেন্সি প্লাস’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে।
১১ মাসের শর্ত: নাগরিকত্বের আবেদন করার যোগ্য হতে হলে আবেদনকারীকে ন্যূনতম ১১ মাস ধরে এই দেশের ই-রেসিডেন্সির সক্রিয় সদস্য হিসেবে থাকতে হবে।
আবেদন ফি ও স্ক্রিনিং: ১১ মাস পর ৩০০ ইউরো বা প্রায় সাড়ে ৪২ হাজার টাকা ফি দিয়ে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। কঠোর নিরাপত্তা স্ক্রিনিং ও ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের পর কেবল উপযুক্ত ব্যক্তিরাই নাগরিকত্ব পান।
সতর্কতা: নাগরিকত্ব আবেদনের ৩০০ ইউরো ফি কিন্তু অফেরতযোগ্য। অর্থাৎ, আপনার আবেদন বাতিল হলে এই টাকা আর ফেরত পাবেন না।
পাসপোর্টের কার্যকারিতা ও বাস্তব সংকট
ভার্ডিস তাদের নাগরিকদের জন্য ৮০ ডলার বা প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ফিজিক্যাল পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু করেছিল। তবে এই পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
ক্রোয়েশিয়ার নিষেধাজ্ঞা
২০২৩ সালের অক্টোবরে কিছু নাগরিক নিয়ে ড্যানিয়েল জ্যাকসন ওই জমিতে সশরীরে বসতি স্থাপনের চেষ্টা করলে ক্রোয়েশিয়ান পুলিশ তাদের সবাইকে আটক করে। ড্যানিয়েল জ্যাকসনকে ক্রোয়েশিয়ায় আজীবন ও বাকিদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
অবরোধ ও বর্তমান অবস্থা
২০২৪ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান ২০২৬ সাল পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়া এই অঞ্চলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ বজায় রেখেছে। ফলে বর্তমানে সেখানে সশরীরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সবশেষে বলা যায়, ফ্রি রিপাবলিক অব ভার্ডিস মূলত একটি ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রতীকী রাষ্ট্র বা রাজনৈতিক প্রকল্প। প্রযুক্তিগতভাবে তাদের পোর্টালে যুক্ত হতে ১০-১৪ দিন সময় লাগলেও, এটি দিয়ে ইউরোপের কোনো দেশে যাতায়াত করা বা বসবাস করা আইনিভাবে সম্পূর্ণ অসম্ভব। কোনো ব্যক্তি যদি একে লিগ্যাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকত্ব ভেবে টাকা লেনদেন করেন, তবে তিনি চরম প্রতারণার শিকার হবেন। এটি কেবলই একটি ডিজিটাল কমিউনিটি ও এর পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক কোনো আইনি মূল্য নেই।
সূত্র: verdisgov, ভার্ডিসের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন, 
এসএএইচ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/verdis-passport-mrdmke4broazf5o-20260709212847.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>১৫, দিনেই, মিলছে, ইউরোপের, স্বঘোষিত, দেশের, নাগরিকত্ব, আসল, ঘটনা, কী</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>৪১ শতাংশ ব্রাজিলিয়ান বিশ্বাস করেন, কখনোই তারা আর বিশ্বকাপ জিতবে না</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/৪১-শতাংশ-ব্রাজিলিয়ান-বিশ্বাস-করেন-কখনোই-তারা-আর-বিশ্বকাপ-জিতবে-না</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/৪১-শতাংশ-ব্রাজিলিয়ান-বিশ্বাস-করেন-কখনোই-তারা-আর-বিশ্বকাপ-জিতবে-না</guid>
        <description><![CDATA[ টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপেও শিরোপাহীন থাকার হতাশা ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের আস্থায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে বিদায় নেওয়ার পর ব্রাজিলিয়ানরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব হয়ে উঠেছে এ নিয়ে। এরমধ্যে যারা ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, তাদের ৪১ শতাংশই দাবি করেন, ব্রাজিল আর কখনো বিশ্বকাপ জিততে পারবে না। গবেষণা প্রতিষ্ঠান অরবিট ডাটা সায়েন্স পরিচালিত এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।
সমীক্ষাটির জন্য গত ২০ এপ্রিল থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত এক্স (সাবেক টুইটার), ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকে প্রকাশিত ৭ হাজার ৮৫৫টি উন্মুক্ত পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর বেশিরভাগই সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর।
জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে হওয়া আলোচনায় ৫৪ শতাংশ মন্তব্যে হতাশাবাদী মনোভাব দেখা গেছে, যেখানে আশাবাদী মন্তব্য ছিল ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে ৪১ শতাংশ সরাসরি বলেছে, ব্রাজিল আর কখনো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে না। আরও ১৩ শতাংশের আশঙ্কা, তারা হয়তো জীবদ্দশায় ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয় দেখতেই পারবে না।
এবারের বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে হতাশা। পরাজয় নিয়ে করা নেতিবাচক পোস্টগুলোর ৬৩ শতাংশই শেষ ষোলোর বিদায় নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর সমর্থকরা এই ব্যর্থতার কারণ ও দায়ীদের খুঁজতে শুরু করছেন। প্রত্যাশার তুলনায় দলের বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে ছিল ১২ শতাংশের আলোচনার বিষয়। অন্যদিকে দলগত সমন্বয়ের অভাব উঠে এসেছে ৫ শতাংশ মন্তব্যে।
পেনাল্টি শ্যুটআউটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট না নেওয়ার ঘটনাও ছিল ব্যাপক আলোচিত। মোট ৫ শতাংশ মন্তব্যে এই বিষয়টি উঠে আসে এবং এটি ব্রাজিলের বিদায়ের অন্যতম প্রতীকী মুহূর্তে পরিণত হয়।
তবে সমালোচনা শুধু একটি ম্যাচের ফলাফলে সীমাবদ্ধ ছিল না। নেতিবাচক মন্তব্যের ২৩ শতাংশ ছিল খেলোয়াড়দের নিয়ে, আর পুরো বিশ্বকাপজুড়ে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ছিল ২০ শতাংশ সমালোচনা।
ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন লুকাস পাকেতা। খেলোয়াড়দের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের ১৯ শতাংশই ছিল তাকে ঘিরে। নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করা ব্রুনো গিমারায়েস ছিলেন দ্বিতীয়, যাকে নিয়ে ছিল ৭ শতাংশ নেতিবাচক মন্তব্য।
সমর্থকদের সমালোচনার বাইরে থাকেননি প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিও। তার বিদায়ের দাবি উঠে এসেছে মোট সমালোচনার ১২ শতাংশে। পাশাপাশি দলের অঙ্গীকারের অভাব এবং জাতীয় দলের দায়িত্বে একজন বিদেশি কোচ নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক সমর্থক।
হতাশার মধ্যেও এই বিশ্বকাপ সমর্থকদের ভাবনায় নতুন প্রজন্মের দিকে ঝুঁকে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ব্রাজিলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপকে বিদায় জানানো নেইমার আর প্রধান ভরসা নন; বরং ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় আশা হিসেবে উঠে এসেছেন এনদ্রিক।
খেলোয়াড়দের নিয়ে হওয়া আলোচনার ৩২ শতাংশে নেইমারের জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ হওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন প্রজন্মকে ঘিরে ইতিবাচক মন্তব্যের ১৯ শতাংশই ছিল এনদ্রিককে নিয়ে।
মার্তিনেলি ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র- দুজনেরই নাম এসেছে ১১ শতাংশ ইতিবাচক আলোচনায়। তাদেরও জাতীয় দলের ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অরবিট ডাটা সায়েন্সের গবেষণা সমন্বয়ক ক্যারোলিনা ভালে বলেন, ‘এনদ্রিক, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মার্তিনেলি এই বিশ্বকাপ শেষে প্রতীকী দিক থেকে বিশাল গুরুত্ব অর্জন করেছেন। পুরো টুর্নামেন্টে সমর্থকরা ধীরে ধীরে এই তিনজনকেই ব্রাজিলের নতুন যুগের প্রধান মুখ হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন।’
যারা এখনও আশাবাদী, তাদের মধ্যেও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রত্যাশা দেখা গেছে। আশাবাদী পোস্টের ১৭ শতাংশে ২০৩০ সালে ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের আশা প্রকাশ করা হয়েছে। আর ১৬ শতাংশ মনে করছেন, ২০২৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য নারী বিশ্বকাপই জাতীয় দলকে ঘিরে নতুন করে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে।
এছাড়া আরও ১৩ শতাংশ সমর্থক বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর নতুন একটি যাত্রা শুরুর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। সমীক্ষায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকে কোনো ম্যাচের দিন এত কম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়নি, যতটা হয়েছে নরওয়ের বিপক্ষে হারের দিনে।
অরবিটের বিশ্লেষকদের মতে, এই কম অংশগ্রহণের অর্থ হতে পারে-চূড়ান্ত বাঁশি বাজার আগেই অনেক সমর্থক ব্রাজিলের বিদায় মেনে নিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় প্রভাব শুধু শেষ ষোলো থেকে বিদায় নয়; বরং সমর্থকদের মানসিকতার পরিবর্তন।
একদিকে, নেইমার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও তিনি ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার, যাকে ঘিরে মতভেদ ছিল স্পষ্ট। অন্যদিকে, এনদ্রিক, মার্তিনেলি ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আর শুধু সম্ভাবনাময় তরুণ নন; ২০৩০ বিশ্বকাপের স্বপ্ন এখন তাদের কাঁধেই।
অরবিটের প্রধান নির্বাহী কাইও সিমি বলেন, ‘এই গবেষণা যদি একটি বিষয় পরিষ্কার করে, সেটি হলো- হতাশা ও আশা ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মধ্যে প্রায় একই সময়ে জন্ম নিয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পরও তারা খুব দ্রুত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে শুরু করেছে।’
৯৫ শতাংশ নির্ভরযোগ্যতার মাত্রা এবং ৩ শতাংশ ত্রুটির সীমা ধরে পরিচালিত এই সমীক্ষায় ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ব্রাজিলিয়ানদের প্রকাশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনাগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
আরএএইচইউএল/আইএইচএস ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/brazil-20260709212349.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>৪১, শতাংশ, ব্রাজিলিয়ান, বিশ্বাস, করেন, কখনোই, তারা, আর, বিশ্বকাপ, জিতবে, না</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>ইতিহাস&amp;ঐতিহ্যের আলোকবর্তিকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছর</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/ইতিহাস-ঐতিহ্যের-আলোকবর্তিকায়-ঢাকা-মেডিকেল-কলেজের-৮০-বছর</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/ইতিহাস-ঐতিহ্যের-আলোকবর্তিকায়-ঢাকা-মেডিকেল-কলেজের-৮০-বছর</guid>
        <description><![CDATA[ দেশের চিকিৎসা শিক্ষার ইতিহাসে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম দেশ-বিদেশে সমাদৃত এর মধ্যে অন্যতম শীর্ষে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি)। চিকিৎসক তৈরির বিদ্যাপীঠ হিসেবে যেমন এর সুনাম রয়েছে তেমনি ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসেও রয়েছে এর অনন্য অবদান। ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই ব্রিটিশ আমলে যাত্রা শুরু করা ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠান এবার ৮০ বছর পূর্ণ করে পদার্পণ করছে ৮১তম বছরে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস এখন উৎসবের সাজে সেজেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও একদিন পর অর্থাৎ ১১ জুলাই সাড়ম্বরে ‘ডিএমসি ডে’ উদযাপনের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।


আরও পড়ুন




শনিবার ঢাকা মেডিকেলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী



আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ এবং আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করতে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবায়েদা রহমান।
সাজ সাজ রব: উৎসবের রঙে ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাস
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ত তি। মূল ফটকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর লোগো সংবলিত সুদৃশ্য ব্যানার, তোরণ ও বর্ণিল সাজসজ্জা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছেন। বৃক্ষরোপণ এলাকার টব রং করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং বিভিন্ন স্থানে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার প্রস্তুতিও চলছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি/ ছবি: বিপ্লব দিক্ষিৎ
ক্যাম্পাসের দেয়ালে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠার গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরা চিত্রকর্ম ও তথ্যফলকগুলো নতুন করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।


আরও পড়ুন




ঢামেক হাসপাতালের দুই এমআরআই যন্ত্রই বিকল, ভোগান্তিতে রোগীরা



প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কলেজ মিলনায়তনের সংস্কার, আসনের নতুন কভার লাগানো, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের আধুনিক রক্ষণাবেক্ষণ চলছে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ফগার মেশিনের সাহায্যে পুরো ক্যাম্পাসে জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অস্থায়ী ব্যারিকেড স্থাপনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, শিক্ষক ও সিনিয়র-জুনিয়রদের সঙ্গে পুনর্মিলনের এক মধুর মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছেন।

‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।
ঢামেকের ৮০ বছর উদযাপনের প্রস্তুতি/ ছবি: বিপ্লব দিক্ষিৎ
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।


আরও পড়ুন




ঢামেক হাসপাতালের সামনে ফুটপাত থেকে হকার সরিয়ে সৌন্দর্যবর্ধন



কলেজের ৬৯তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. সজীব বলেন, ঢাকা মেডিকেল আমাদের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন আমাদের জন্য বিশেষ আনন্দের। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবায়েদা রহমানের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও অনেক বেশি স্মরণীয় ও গৌরবময় করে তুলবে।
আরেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. গোলাম সাকলাইন বলেন, এই ক্যাম্পাসে আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়—মেডিকেল লাইফ ও ইন্টার্নি কেটেছে। অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এখানে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি স্মৃতিচারণ, পুনর্মিলন এবং নবীন-প্রবীণের মেলবন্ধনে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার এক পরম আশীর্বাদ।
’৫২ থেকে ’২৪: ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে ঢামেক
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইতিহাস শুধু চিকিৎসা শিক্ষার নয়, বরং বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ইতিহাসের দেয়ালে ঢামেকের গৌরবগাথা/ ছবি: বিপ্লব দিক্ষিৎ
’৫২-র ভাষা আন্দোলন ও প্রথম শহীদ মিনার: ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের রক্তে প্রথম রঞ্জিত হয়েছিল এই ঢামেক প্রাঙ্গণই। আমতলার ঐতিহাসিক মোড় আর ঢামেক হোস্টেলের ব্যারাকগুলো পরিণত হয়েছিল আন্দোলনের মূল কেন্দ্রে। গুলিবিদ্ধ রফিক, বরকত, জব্বারসহ ভাষাসৈনিকদের ঢামেকের জরুরি বিভাগেই আনা হয়েছিল এবং চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে তারা এখানেই শহীদ হন। এই রক্তাক্ত অধ্যায়ের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢামেকের শিক্ষার্থীরাই রাতের অন্ধকারে তৈরি করেছিলেন ইতিহাসের প্রথম ‘শহীদ মিনার’ যা বাঙালি জাতিসত্তার প্রধান প্রতীক হয়ে ওঠে।
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ‘৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা অনন্য ভূমিকা পালন করেন। আহত মুক্তিযোদ্ধাদের লুকিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অনেকেই সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/dmc-cover-mrdlh06qoxzi5wo-20260709204255.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>ইতিহাস-ঐতিহ্যের, আলোকবর্তিকায়, ঢাকা, মেডিকেল, কলেজের, ৮০, বছর</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>লিওনেল মেসি, যাকে বহন করে গোটা একটি প্রজন্ম</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/লিওনেল-মেসি-যাকে-বহন-করে-গোটা-একটি-প্রজন্ম</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/লিওনেল-মেসি-যাকে-বহন-করে-গোটা-একটি-প্রজন্ম</guid>
        <description><![CDATA[ শেষ বাঁশি বাজতেই মাঠে শুরু হলো উদযাপন। ট্রফি নেই, ফাইনালও নয়। তবু আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা যেন পৃথিবীকে জানিয়ে দিলেন- কিছু মানুষকে সম্মান জানানোর জন্য শিরোপার প্রয়োজন হয় না।
এক মুহূর্তে লিওনেল মেসি মাটি ছেড়ে উঠে গেলেন আকাশে। অসংখ্য হাত তাকে তুলে দিল শূন্যে। নিচে সতীর্থদের মুখে উচ্ছ্বাস, চোখে গর্ব। আর মাঝ আকাশে ভাসতে থাকা ৩৯ বছর বয়সী মানুষটির মুখে সেই চেনা শিশুসুলভ হাসি।
ছবিটি যেন ফুটবলের সবচেয়ে সুন্দর সত্যগুলোর একটি বলে দেয়- কিছু মানুষকে শুধু ভালো খেলার জন্য নয়, মানুষ হিসেবে অসাধারণ হওয়ার কারণেও ভালোবাসা হয়।
বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে কিংবদন্তির অভাব নেই। পেলে, ম্যারাডনা , ক্রইফ, জিদান কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো- প্রত্যেকেই নিজেদের মহত্ত্বের গল্প লিখেছেন। কিন্তু লিওনেল মেসিকে নিয়ে আলাদা করে এমন একটি বিষয় আছে, যা পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না। সেটি হলো, সতীর্থদের নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং অগাধ শ্রদ্ধা।
মেসিকে কখনো চিৎকার করে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় না। তিনি বক্তৃতা দিয়ে ড্রেসিংরুম দখল করেন না। তার নেতৃত্বের ভাষা অন্যরকম। তিনি বল পায়ে সামনে থেকে পথ দেখান, অনুশীলনে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেন, জয় ভাগ করে নেন সবার সঙ্গে আর পরাজয়ের দায় নেন নিজের কাঁধে। আধুনিক ফুটবলে এমন নেতৃত্ব খুব বেশি দেখা যায় না।
আর্জেন্টিনার বর্তমান দলের বেশিরভাগ ফুটবলারই ছোটবেলায় মেসির খেলা দেখে বড় হয়েছেন। হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, নাহুয়েল মোলিনা কিংবা থিয়াগো আলমাদাদের কাছে মেসি প্রথমে ছিলেন টেলিভিশনের নায়ক, পরে ড্রেসিংরুমের অধিনায়ক। তাদের কাছে তিনি কেবল বিশ্বের সেরা ফুটবলার নন; এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে একই জার্সি পরে খেলাটাই একসময় ছিল কল্পনার বিষয়।
সে কারণেই আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে মেসির সঙ্গে সম্পর্কটা অধিনায়ক ও খেলোয়াড়ের সীমায় আটকে নেই। এটি অনেকটা পথপ্রদর্শক কিংবা অভিভাবকের মতো। নতুন কেউ দলে এলে তাকে স্বস্তি দিতে এগিয়ে আসেন মেসি। তরুণদের ভুলে বিরক্ত হওয়ার বদলে উৎসাহ দেন। ম্যাচে গোল করলেও উদযাপনে সতীর্থদের সামনে ঠেলে দেন। আলোটা নিজের ওপর রাখতে তিনি কখনোই আগ্রহী নন।
অথচ এই মানুষটিকেই একসময় নিজের দেশের সমর্থকদের কঠিন সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। টানা তিনটি ফাইনাল হেরে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণাও দিয়েছিলেন; কিন্তু ফিরেও এসেছিলেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, আর্জেন্টিনার জন্য লড়াই শেষ হয়নি। সেই প্রত্যাবর্তনের পরই বদলে যায় ইতিহাস। কোপা আমেরিকা, ফাইনালিসিমা, তারপর বিশ্বকাপ- দীর্ঘ অপেক্ষার প্রতিটি স্বপ্ন পূরণ করেন তিনি।
এই সাফল্যগুলো শুধু ট্রফির সংখ্যা বাড়ায়নি, বদলে দিয়েছে আর্জেন্টিনা দলের সংস্কৃতিও। এখন এই দলটি ব্যক্তিনির্ভর নয়, পরিবারনির্ভর। আর সেই পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু মেসি।
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তাকে আকাশে ছুড়ে তোলার দৃশ্যটি তাই নিছক উচ্ছ্বাস ছিল না। এটি ছিল এক ধরনের সম্মাননা। ফুটবলাররা যেন প্রতীকী ভাষায় বলছিলেন, ‘এতদিন আপনি আমাদের কাঁধে তুলে এনেছেন, এবার আপনাকে বহন করার দায়িত্ব আমাদের।’
এমন দৃশ্য সাধারণত দেখা যায় বিদায়ী ম্যাচে কিংবা বড় কোনো শিরোপা জয়ের পর; কিন্তু এখানে কোনো বিদায় ছিল না, কোনো ট্রফিও ছিল না। তবু সতীর্থদের কাছে মুহূর্তটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, তারা উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে একজন মানুষকে, যিনি বছরের পর বছর নিজের ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলকে বড় করে দেখিয়েছেন।
হয়তো এ কারণেই মেসিকে নিয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যেও একই রকম শ্রদ্ধা দেখা যায়। ম্যাচ শেষে জার্সি বদল করা, ছবি তোলা কিংবা সন্তানদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দৃশ্য এখন প্রায় নিয়মিত। কারণ সবাই জানে, তারা শুধু একজন অসাধারণ ফুটবলারের মুখোমুখি নয়; তারা এমন একজন ক্রীড়াবিদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, যিনি প্রতিভা, বিনয় এবং মানবিকতার এক বিরল সমন্বয়।
ফুটবলে গোল, ট্রফি আর রেকর্ড একদিন ভেঙে যায়। নতুন নায়ক আসে, নতুন ইতিহাস লেখা হয়। কিন্তু মানুষকে যেভাবে স্পর্শ করা যায়, তার কোনো বিকল্প নেই। মেসির সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার হয়তো তার গোলসংখ্যা নয়, বরং এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করা, যারা তাকে ভয় পায় না, ঈর্ষাও করে না; বরং হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসে।
মিশর-আর্জেন্টিনা ম্যাচের পরের ছবিটি তাই শুধু একজন ফুটবলারের আকাশে ভেসে ওঠার ছবি নয়। এটি এমন এক নেতার প্রতিচ্ছবি, যিনি সতীর্থদের কাছে কিংবদন্তি হওয়ার আগেই একজন প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছেন। আর হয়তো এ কারণেই লিওনেল মেসিকে কখনো একা হাঁটতে হয় না- কারণ তাকে বহন করার জন্য সবসময়ই প্রস্তুত থাকে অসংখ্য হাত, আর তাকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত থাকে কোটি কোটি হৃদয়।
টিটিটি/আইএইচএস/ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/messi-20260709210338.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>লিওনেল, মেসি, যাকে, বহন, করে, গোটা, একটি, প্রজন্ম</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>শহরজুড়ে জলাবদ্ধতা, সড়কে মাছ ধরছেন স্থানীয়রা</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/শহরজুড়ে-জলাবদ্ধতা-সড়কে-মাছ-ধরছেন-স্থানীয়রা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/শহরজুড়ে-জলাবদ্ধতা-সড়কে-মাছ-ধরছেন-স্থানীয়রা</guid>
        <description><![CDATA[ টানা ১০ ঘণ্টার ভারী বর্ষণে নওগাঁ শহরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শহরের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।
জলাবদ্ধতায় পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা হাঁটু সমান পানিতে মাছ ধরতে দেখা গেছে অনেককেই। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নওগাঁর বিভিন্নস্থানে এ চিত্রের দেখা মেলে।
পৌর কর্তৃপক্ষের পয়োবর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে সৃষ্ট এ জনদুর্ভোগের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১টা থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শেষ হলেও বেশিরভাগ এলাকায় বিকেলেও পানি জমে ছিল। গোশতহাটির মোড় থেকে সমবায় মোড় পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ড্রেনের পানি রাস্তায় উঠে এসেছে। এসব নোংরা পানি বিভিন্ন বাড়িঘরের সামনে প্রায় হাঁটু সমান জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আর সেই পানিতে জাল ফেলে মাছ ধরার উৎসবে নেমেছেন স্থায়ীরা।
গোশতহাটির মোড় থেকে লাটাপাড়া মোড়ের দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। এই সড়কে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার পর কয়েকটি পয়েন্টে পানি শুকিয়ে গেলে রাস্তা ভেঙে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের। এসব খানাখন্দে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। হাঁটু সমান পানিতে হাঁটতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।
সমবায় মোড় সংলগ্ন মৎস্য হ্যাচারি এলাকায় সড়কে মাছ ধরতে নামা আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, পৌরসভার ড্রেন সামান্য বৃষ্টি হলেই উপচে পড়ে। ওই ড্রেন থেকে পানি উপরে উঠে আসলে অনেক কৈ মাছ রাস্তায় জাল ফেলে ধরা যায়। সেই চেষ্টাই করছি। সকাল থেকে দুপুর অবধি দুই কেজি কৈ মাছ এবং ১ কেজির বেশি টাকি মাছ পেয়েছি। এভাবে রাস্তায় নেমে মাছ ধরার মজাই আলাদা।
শহরের আরজী নওগাঁ মধ্যপাড়ার বাসিন্দা সাদিয়া আক্তার বানু বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতে বাড়ির চারিদিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নিয়মিত পৌর ট্যাক্স দিলেও আমাদের এই অংশে পানি বের হওয়ার কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখেনি পৌরসভা। তাই পানি ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। বিকেলেও এই পানি কমেনি। এখন পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।
হাট নওগাঁ মহল্লার বাসিন্দা মেজবা হাসান পরশ বলেন, বৃষ্টি কমার পর বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে হাঁসাইগাড়ী বিল ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম। মোটরসাইকেল নিয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পার হওয়ার সময় জমে থাকা রাস্তার পানিতে খানাখন্দ বুঝে উঠতে পারিনি। উষ্টা খেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে গিয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছি। এটা আসলে নামেই প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। পয়োবর্জ্য অপসারণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোনোটাই ঠিকঠাক নেই।
নওগাঁ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম শামীম বলেন, ইনকোর্স পরীক্ষায় অংশ নিতে হাঁটু সমান পানি পেরিয়ে কলেজে গিয়ে দেখি পুরো মাঠজুড়ে জলাবদ্ধতা। কলেজের চারিদিক দিয়ে ড্রেন থাকলেও পৌরসভার পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে এসব পানি বের হতে পারে না। একই ড্রেন লাখ লাখ টাকা খরচ করে বার বার ভাঙাগড়ার কাজে ব্যস্ত থাকে নওগাঁ পৌরসভা। এতে লাভ তো দূরের কথা বর্ষা মৌসুমে ন্যূনতম সুবিধাও আমরা পাচ্ছি না।
নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক টি.এম.এ মমিন বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা এক শহর নওগাঁ। তাই রাতারাতি এই শহরের রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে বেশ কিছু এলাকায় পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজ শেষ হলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাবেন পৌরবাসী। পর্যায়ক্রমে পুরো শহরকে ঢেলে সাজানো হবে।
নওগাঁর বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া সহকারী মিজানুর রহমান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সর্বোচ্চ ২৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আপাতত ভারী বর্ষণের আশঙ্কা নেই। তবে আকাশ এখনো মেঘাচ্ছন্ন।
আরমান হোসেন /এসজেডএইচ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/naogaon-1-20260709204959.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>শহরজুড়ে, জলাবদ্ধতা, সড়কে, মাছ, ধরছেন, স্থানীয়রা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>১ টাকাও নেন না, ৪৫ বছর ধরে বিলিয়ে যাচ্ছেন গাছ</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/১-টাকাও-নেন-না-৪৫-বছর-ধরে-বিলিয়ে-যাচ্ছেন-গাছ</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/১-টাকাও-নেন-না-৪৫-বছর-ধরে-বিলিয়ে-যাচ্ছেন-গাছ</guid>
        <description><![CDATA[ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এক টাকাও না নিয়ে মানুষের হাতে গাছের চারা তুলে দিচ্ছেন মাদারীপুরের রাজন মাহমুদ। ব্যক্তিগত নার্সারিতে উৎপাদিত চারা বিতরণের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার নানা উদ্যোগ ও আন্দোলনেও সক্রিয় তিনি। গাছ লাগানো, পাখির আবাস সংরক্ষণ, পুকুর ও খাল রক্ষাসহ প্রকৃতিকে ঘিরেই পথচলা তার। দীর্ঘদিনের এ নিরলস কাজের কারণে জেলার মানুষের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছেন একজন নিবেদিতপ্রাণ পরিবেশবাদী হিসেবে।
শখের নার্সারি থেকে পরিবেশ আন্দোলন
মাদারীপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর শকুনী এলাকার বাসিন্দা রাজন মাহমুদ। বাবা আনোয়ার হোসেন খান ও মা সুলতানা রিজিয়ার বড় ছেলে তিনি। ছোটবেলা থেকেই গাছের প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ।

সেই ভালোবাসা থেকেই ১৯৮০ সালের দিকে বাবার সহযোগিতায় বাড়িতে একটি ছোট নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হতো স্থানীয় মানুষের মধ্যে। যে কেউ পছন্দের গাছ চাইলে খালি হাতে ফেরানো হতো না। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নিয়মিত গাছের চারা বিতরণ করতেন তারা।


আরও পড়ুন




গ্রামে হারিয়ে যাচ্ছে বড় ও পুরোনো গাছ



দীর্ঘদিনের কাজকে আরও সংগঠিত করতে ২০০১ সালে পরিবেশ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক প্রকাশনা পড়ে অনুপ্রাণিত হন রাজন মাহমুদ। এরপর প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফ্রেন্ডস অব নেচার’ নামে একটি সংগঠন। বর্তমানে এটি মাদারীপুরের অন্যতম পরিচিত পরিবেশবাদী সংগঠন। সংগঠনটির মাধ্যমে তিনি গাছ বিতরণ, পরিবেশ সচেতনতা, জলাশয় রক্ষা, পাখি সংরক্ষণসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
লেক, পুকুর ও খাল রক্ষায় সোচ্চার
মাদারীপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী শকুনী লেকের পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘদিন কাজ করেছেন রাজন মাহমুদ। উন্নয়নের নামে পুরোনো গাছ কাটার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে।

স্থানীয়রা জানান, মাদারীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শকুনী লেকের পরিবেশ রক্ষায় তিনি নির্ভীকভাবে প্রতিবাদ করেছেন। লেক উন্নয়নের নামে শতাধিক পুরোনো গাছ কাটার বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়ানোয় এখনও লেকপাড়ে কিছু পুরোনো গাছ টিকে আছে।
এমনকি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি মাদারীপুর শহরের ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি ভরাট করতে চেয়েছিলেন। তখন রাজন মাহমুদ তার সংগঠনের ব্যানারে প্রথম প্রতিবাদ জানান। পরবর্তীতে তৎকালীন পৌর মেয়র ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুকুরটি ভরাট থেকে রক্ষা পায়।


আরও পড়ুন




ফেনীতে ৪১০ বছরের প্রাচীন গাছ ‘মেঘ শিরিষ’



গাছের পাশাপাশি প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার কাজও করছেন তিনি। পাখিদের জন্য বিভিন্ন গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছেন মাটির তৈরি বাসা। বর্ষা মৌসুমে নিজ খরচে মাছের পোনা কিনে বিভিন্ন বিলে অবমুক্ত করেন। এছাড়া খাল ভরাট, জলাবদ্ধতা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা পরিবেশের ক্ষতি হয়—এমন যেকোনো ঘটনার প্রতিবাদে সরব থাকেন তিনি।
‘মায়াবন’-এ সবুজের রাজ্য
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজন মাহমুদের বাসভবন ‘মায়াবন’ যেন এক ক্ষুদ্র উদ্ভিদ উদ্যান। বাড়ির ছাদজুড়ে রয়েছে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের সমারোহ। বিভিন্ন প্রজাতির ক্যাকটাসও রয়েছে সেখানে। বাড়ির পাশে গড়ে তুলেছেন একটি নার্সারি, যেখানে নিয়মিত চারা উৎপাদন করা হয়। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন বিদেশফেরত সাখাওয়াত হোসেন মামুন ও স্থানীয় নুরু খা। তিনজন মিলে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা উৎপাদন করে বিনামূল্যে বিতরণ করেন।

অনেকেই বাড়িতে গাছ লাগাতে চাইলেও টব বা মাটির অভাবে পারেন না। তাদের জন্য টব, মাটি ও চারা প্রস্তুত করে বিনা মূল্যে দিয়ে থাকেন রাজন মাহমুদ। এছাড়া তার বাড়ির পেছনে রয়েছে সবজির বাগান। সেখানে মৌসুমি বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়।


আরও পড়ুন




বৃক্ষমেলায় ‘বিলুপ্তপ্রায়’ যত গাছ



বর্তমানে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ৫০০ বস্তায় আদা চাষের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন তিনি। ইতোমধ্যে বস্তাভিত্তিক আদা চাষ শুরু হয়েছে।
রাজন মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা আমাদের উপকারী পরম বন্ধু বিভিন্ন ভেষজ গাছের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে এখন পুরোপুরি অ্যালোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দিকে ঝুঁকে পড়েছি। অথচ আমাদের দাদা-দাদিদের যুগে তারা সম্পূর্ণ গাছগাছড়া ও ভেষজ চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। এ কারণেই তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন এবং নীরোগ দেহে দীর্ঘায়ু পেয়েছিলেন।
বন্যপ্রাণী ও লাইব্রেরি
এক সময় তার বাড়ির পুকুরে ২০-২৫টি গুঁইসাপ এবং মেহগনি বাগানে বেশ কিছু বেজি ও শিয়াল বাস করত। এদের টিকিয়ে রাখতে তিনি নিজে বাজার থেকে মাছ ও মুরগি কিনে খাওয়াতেন। লোকালয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রাণী চলে গেলেও এখনও ৩-৪টি গুঁইসাপ ও কিছু বেজি রয়ে গেছে। এছাড়া তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে প্রায় ৪ হাজার বই ও ম্যাগাজিন রয়েছে, যেখান থেকে স্থানীয়রা বই নিয়ে পড়েন।
রাজন মাহমুদ জানান, প্রতিটি মানুষকে পরিবেশ সচেতন, স্বাস্থ্য সচেতন, পুষ্টি সচেতন এবং দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যেই তার এ নিরলস সংগ্রাম। তিনি আশা করেন, একদিন দেশের সমস্ত তরুণ ও যুবসমাজসহ জেলাবাসী এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হবে এবং মাদারীপুরসহ পুরো বাংলাদেশ সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
মুগ্ধ উপকারভোগীরা
রাজন মাহমুদের কাছ থেকে বিনামূল্যে গাছ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন জেলার অনেক মানুষ। তার গাছ বিতরণের এ উদ্যোগ শুধু মানুষকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করেনি, পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে।
মাদারীপুর সদর উপজেলার হাজির হাওলা গ্রামের বাসিন্দা মিথিলা মোহসিন বলেন, বাসার জন্য কিছু টবের প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরে রাজন মাহমুদ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ২০টি টব, গাছ লাগানোর উপযোগী মাটি এবং বেশ কয়েকটি গাছ বিনামূল্যে দেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে টাকা ছাড়া কেউ কিছু দিতে চায় না। সেখানে তিনি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে গাছ ও টব দিয়েছেন। তার গাছের প্রতি ভালোবাসা দেখে আমরাও গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছি।


আরও পড়ুন




শ্রমিক যেখানে সবুজ বিপ্লবের স্বপ্নসারথি



শকুনী এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফুলগাছের কয়েকটি ডাল চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি শুধু ডালই দেননি, টবসহ বেশ কয়েকটি গাছ দিয়েছেন। তার মতো মানুষ এখন খুব কমই দেখা যায়।’

বাগানপ্রেমী মেহেদী ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/nature-cover-20260709204450.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>১, টাকাও, নেন, না, ৪৫, বছর, ধরে, বিলিয়ে, যাচ্ছেন, গাছ</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন জামায়াত প্রার্থী</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বিএনপির-সারোয়ার-আলমগীরের-রায়ের-বিরুদ্ধে-আপিল-করবেন-জামায়াত-প্রার্থী</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বিএনপির-সারোয়ার-আলমগীরের-রায়ের-বিরুদ্ধে-আপিল-করবেন-জামায়াত-প্রার্থী</guid>
        <description><![CDATA[ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। রায়ের পর এরই মধ্যে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন। বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে কথা বলেন জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো.আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইনজীবী নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম শুনানিতে অংশ নেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আবদুল্লাহ সাদিক। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।


আরও পড়ুন




বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই



রায়ের পর সারোয়ার আলমগীরের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেছেন, রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ, সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির আদেশ অবৈধ এবং তার প্রার্থিতা বৈধ ছিল। ফলে তার ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথ নিতে আইনগত বাধা নেই।
তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তার ফলাফল প্রকাশ সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে লড়তে সারোয়ার আলমগীরের দাখিল করা মনোনয়নপত্র গত ২ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা গ্রহণ করেন। এ নিয়ে ইসিতে আপিল করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তিনি এই আপিল করেন। আপিল মঞ্জুর করে সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র গ্রহণের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে গত ১৮ জানুয়ারি রায় দেয় নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল হয়।


আরও পড়ুন




জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত দুই প্রবাসী ৩ দিনের রিমান্ডে



এ নিয়ে নির্বাচনের আগে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার আলমগীর। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দিয়ে সারোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন। তবে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তিনি এ আবেদন করেন।
লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, যদি তিনি (সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তার জন্য প্রযোজ্য) এ-সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পর গত ৩১ মার্চ নিয়মিত আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী। ওই আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে দেওয়া আদেশে আপিল বিভাগ দ্রুত, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন। রুল নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশ চলমান থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।
আপিল বিভাগের আদেশের পর রিটটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ওঠে গত ২১ জুন। সেদিন আদালত রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২ জুলাই শুনানি শেষে আজ রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।
এফএইচ/কেএসআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/shishir-monir-mrdm02soroth66u-20260709203820.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বিএনপির, সারোয়ার, আলমগীরের, রায়ের, বিরুদ্ধে, আপিল, করবেন, জামায়াত, প্রার্থী</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ড. রওশন আরা বেগম</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/সচিব-পদে-পদোন্নতি-পেলেন-ড-রওশন-আরা-বেগম</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/সচিব-পদে-পদোন্নতি-পেলেন-ড-রওশন-আরা-বেগম</guid>
        <description><![CDATA[ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১) ড. রওশন আরা বেগমকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
পদোন্নতির পর তাকে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আরএমএম/এএসএ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/dr-roushon-mrdmpugl9d93cse-20260709205850.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>সচিব, পদে, পদোন্নতি, পেলেন, ড., রওশন, আরা, বেগম</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>টানা বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জ শহরে হাঁটুপানি</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/টানা-বৃষ্টিতে-সিরাজগঞ্জ-শহরে-হাঁটুপানি</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/টানা-বৃষ্টিতে-সিরাজগঞ্জ-শহরে-হাঁটুপানি</guid>
        <description><![CDATA[ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিরাজগঞ্জ শহরের রাস্তাঘাট। কোথাও হাঁটুপানি আবার কোথাও কোমরসমান। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শহরবাসী। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনে জন্য পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সরেজমিন শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
তাড়াশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে সিরাজগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।’

টানা বৃষ্টিতে অন্তত ১৫০টি পরিবারের বসতঘরে পানি প্রবেশ করেছে বলে জানান শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কোবদাসপাড়া মহল্লার বাসিন্দা আবু সেখ।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‌‘বৃষ্টি হলেই শুধু রাস্তাঘাট না, ঘরের মধ্যেও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। আগেও বৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়তাম, কিন্তু এক দিনেই পানি সরে যেত। এখন পানি বের হওয়ার কোনো পথই নেই।’
একই চিত্র দেখা গেছে শহরের হরিজন কলোনিতে। প্রায় ৮০টি পরিবারের ঘরে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কেউ কেউ বালতি দিয়ে ঘরে প্রবেশ করা পানি অন্যত্র ফেলার চেষ্টা করছেন।
গোশালা এলাকার ফার্নিচার ব্যবসায়ী রানা সেখ বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে কলোনির পানি পুকুরে চলে যেত। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ওই পুকুরটি ভরাট করে পৌর কাঁচাবাজারের ভবন নির্মাণ করায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাস্তা ও ড্রেন উঁচু হওয়ায় বাড়িগুলো নিচু হয়ে গেছে। পানি বের হওয়ার পথ পাচ্ছে না। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে মশার উপদ্রব বাড়ছে।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জেলা শাখার আহ্বায়ক দীপক কুমার কর জাগো নিউজকে বলেন, ‘জলাবদ্ধতার মূল কারণ শুধু অপর্যাপ্ত ড্রেন নয়; সঠিক পরিকল্পনার অভাব একটি বড় কারণ। গত কয়েক বছরে অনেক প্রাকৃতিক খাল সংকুচিত করে কংক্রিটের ড্রেনে রূপান্তর করা হয়েছে। এতে পানির ধারণক্ষমতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ দুটোই কমে গেছে। একই সঙ্গে নদী ও খালের সঙ্গে শহরের নিষ্কাশন ব্যবস্থার কার্যকরভাবে সংযোগ করা হয়নি।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পৌর প্রশাসক শাহাদাত হুসেইন বলেন, ‘নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করছি। কিন্তু গত কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে আপাতত এই কাজ বন্ধ আছে। কারণ ড্রেন থেকে তোলা নরম কাদা মাটি বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে আবার ড্রেনে চলে যাচ্ছে।’
আধুনিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু ও নদী-খালের সঙ্গে শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কার্যকরভাবে সংযোগ করা না গেলে জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে না বলে তিনি দাবি করেন।
এম এ মালেক/এসআর/জেআইএম ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/siraj-1-20260709215618.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>টানা, বৃষ্টিতে, সিরাজগঞ্জ, শহরে, হাঁটুপানি</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৮</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/চীনে-জুতার-কারখানায়-ভয়াবহ-আগুন-নিহত-২৮</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/চীনে-জুতার-কারখানায়-ভয়াবহ-আগুন-নিহত-২৮</guid>
        <description><![CDATA[ চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জিনজিয়াংয়ের একটি জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ‘হুইতেং ফুটওয়্যার’ কারখানায় এই আগুন লাগে।
ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরকে প্রায়ই চীনের ‘জুতার রাজধানী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশ্বের মোট স্পোর্টস জুতার (কেডস কিংবা স্নিকার্স) ২০ শতাংশই এই শহরে তৈরি হয়।
সিনহুয়ার প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, জিনজিয়াংয়ের একটি ভবন থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে উড়ছে ও কিছু মানুষ ভবনের ছাদে আটকা পড়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি বলেছে, খবর পেয়ে শত শত উদ্ধারকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং সেখান থেকে দুই শতাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় ঠিক কতজন আহত হয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে কারখানার নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে; যেখানে দাহ্য পদার্থ মজুত করে রাখা হয়েছিল।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে কারখানার মালিকপক্ষের হয়ে কাজ করা কয়েকজন কর্মচারীকে আটক করেছে। সেই সেঙ্গ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। এই হতাহতের জন্য দায়ীদের অবশ্যই ‘কঠোর জবাবদিহির’ আওতায় আনা হবে।
গত নভেম্বরে হংকংয়ের কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবনে লাগা আগুনে ১৬৮ জনের মৃত্যুর পর চীনা কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে বহুতল ভবনগুলোতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর নিয়ম ও তদারকি শুরু করেছে।
সূত্র: বিবিসি
এসএএইচ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/fire-show-factory-mrdom59gpoaqd5c-20260709215306.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>চীনে, জুতার, কারখানায়, ভয়াবহ, আগুন, নিহত, ২৮</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>উইকেট ছুড়ে দিচ্ছেন ব্যাটাররা, পরাজয়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/উইকেট-ছুড়ে-দিচ্ছেন-ব্যাটাররা-পরাজয়ের-শঙ্কায়-বাংলাদেশ</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/উইকেট-ছুড়ে-দিচ্ছেন-ব্যাটাররা-পরাজয়ের-শঙ্কায়-বাংলাদেশ</guid>
        <description><![CDATA[ ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারালেও তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে দুজনই ফিফটি করে উইকেট ছুড়ে দিয়ে ফিরে গেছেন। ৪৭ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩১ রান। ৩ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৭ রান। উইকেটে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও শরিফুল ইসলাম।
ফিফটি পুর্ণ করার পরই আউট হয়ে ফেরেন তামিম। জিম্বাবুয়ের পার্ট-টাইম বোলার ব্রায়ান বেনেটের বলে বোল্ড হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এর আগে ৭০ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন।
তামিম আউট হওয়ার পর নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন হৃদয়। কিন্তু হুট করেই তিনি ক্যাচ তুলে দিলেন! এর আগে করেন ৯০ বলে ৬০ রান।
এরপর দলকে আরও বিপদে ফেলে ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়েছেন ৯ বলে ৭ রান করে। এরপর বোলারের ফাদে পা দিয়ে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দেন সোহান। ৪১ বলে ৩৮ রান করেন তিনি।
এসকেডি/আইএইচএস/ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/hridoy-20260709214914.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>উইকেট, ছুড়ে, দিচ্ছেন, ব্যাটাররা, পরাজয়ের, শঙ্কায়, বাংলাদেশ</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>উজানের ঢল&amp;টানা বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কায় শেরপুর</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/উজানের-ঢল-টানা-বৃষ্টিতে-বন্যার-শঙ্কায়-শেরপুর</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/উজানের-ঢল-টানা-বৃষ্টিতে-বন্যার-শঙ্কায়-শেরপুর</guid>
        <description><![CDATA[ টানা বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়। সকাল পর্যন্ত নদীগুলোর পানি স্বাভাবিক থাকলেও দুপুরের পর থেকে তা দ্রুত বাড়তে থাকে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ১৬৪ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বিকেলে তা বেড়ে বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। একইভাবে নালিতাবাড়ী পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ১৫২ সেন্টিমিটার নিচে থাকা পানি সন্ধ্যায় বেড়ে বিপৎসীমার মাত্র ৪৩ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।
চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন এবং বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা সদর বাজারে পানি ঢুকে পড়েছে। সোমেশ্বরী নদীর পানিও বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে।

অন্যদিকে, পাহাড়ি ঢলের কারণে শ্রীবরদী উপজেলার রানিশিমুল ইউনিয়ন ও অন্যান্য ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, চক্রপুর, বড়ইকুচি এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পানি প্রবেশ করেছে।
শ্রীবরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হাসিব-উল-আহসান জানান, ইতিমধ্যে ৭০টি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃষ্টিপাত ইতোমধ্যে কিছুটা কমেছে। উজানে বৃষ্টি না হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা দেওয়া হবে।
শেরপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর পয়েন্টে ১৩৬.৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্ট ১১০ মিলিমিটার, নাকুগাঁও পয়েন্টে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
শেরপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ বলেন, সব উপজেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় কমিটি সক্রিয় রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায়ে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে/জেআইএম ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/sherpur-20260709214900.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>উজানের, ঢল-টানা, বৃষ্টিতে, বন্যার, শঙ্কায়, শেরপুর</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>৩০তম জন্মদিনে ৩০০ গাছ লাগালেন চমক</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/৩০তম-জন্মদিনে-৩০০-গাছ-লাগালেন-চমক</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/৩০তম-জন্মদিনে-৩০০-গাছ-লাগালেন-চমক</guid>
        <description><![CDATA[ ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নিজের ৩০তম জন্মদিন উদ্‌যাপন করলেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। কেক কাটা বা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরিবর্তে সুন্দরবনে ৩০০টি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছেন তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেত্রী। সুন্দরী ইকো রিসোর্টের সহযোগিতায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় গাছগুলো রোপণ করা হয়।
নিজের এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে চমক বলেন, ‘আমরা সবাই প্রকৃতির অংশ। পরিবেশের যত কাছাকাছি থাকা যায়, জীবন তত সুন্দর হয়। একটা সময় পর শহরের ইট-পাথর আর ভালো লাগে না। মানুষ যত শহর ছেড়ে প্রকৃতির দিকে ফিরবে, জীবন তত অর্থবহ হবে।’


আরও পড়ুন




‘জীবনের চেয়ে কোনো খেলা বড় নয়’, বললেন অপূর্ব



সুন্দরবনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবন আমাদের এক বিশাল সম্পদ। এই বন বুক পেতে আমাদের নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সুন্দরবনের আয়তন কমে আসছে, বন্য প্রাণীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমার এই ছোট্ট প্রয়াসের মাধ্যমে সবাইকে পরিবেশ ও সুন্দরবন রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাতে চাই। বিশেষ করে যারা আমাকে ভালোবাসেন ও অনুসরণ করেন, তাদের কাছে এই বার্তাটি পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।’


আরও পড়ুন




লন্ডনে আন্তর্জাতিক বাউল উৎসব, অংশ নিচ্ছেন শফি-ডলি মণ্ডল



চমকের এই উদ্যোগ এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে ভক্ত-অনুরাগীসহ অনেকের। জন্মদিনকে ব্যক্তিগত উদ্‌যাপনের গণ্ডি ছাড়িয়ে পরিবেশ রক্ষার একটি সামাজিক বার্তায় রূপ দেওয়ার জন্য অভিনেত্রীর এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমএমএফ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/chomaok-mrdokaayakfiohj-20260709214824.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>৩০তম, জন্মদিনে, ৩০০, গাছ, লাগালেন, চমক</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>অর্থ আত্মসাতের মামলায় পিকে হালদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/অর্থ-আত্মসাতের-মামলায়-পিকে-হালদারসহ-১২-জনের-বিরুদ্ধে-গ্রেফতারি-পরোয়ানা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/অর্থ-আত্মসাতের-মামলায়-পিকে-হালদারসহ-১২-জনের-বিরুদ্ধে-গ্রেফতারি-পরোয়ানা</guid>
        <description><![CDATA[ ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় পলাতক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন।


আরও পড়ুন




ভারতে পি কে হালদারের বিচারে যে কারণে বিলম্ব



আদালত সূত্র জানায়, এ মামলায় মোট ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পিকে হালদারসহ ১২ জন বর্তমানে পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অপর ছয়জন এরই মধ্যে কারাগারে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির প্রয়োজন হয়নি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান মুন এন্টারপ্রাইজের নামে ভুয়া ঋণের নথি তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে উত্তোলন করেন। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা পাচার করা হয়।


আরও পড়ুন




বান্ধবীকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ফ্ল্যাট ‘উপহার’ দেন পিকে হালদার



মামলার তদন্তে অভিযোগ করা হয়, ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য সরাসরি সহযোগিতা করেন। জাল নথি ব্যবহার করে ঋণ গ্রহণের পর অর্থ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়, যা দুর্নীতি ও অর্থপাচার আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল একই কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।


আরও পড়ুন




পিকে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের আরও এক মামলা



মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পিকে হালদার, শঙ্ক বেপারী, মো. নুরুল আলম, নাসিম আনোয়ার, মো. নুরুজ্জামান, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, এম এ হাশেম, জহিরুল আলম, মো. নওশেরুল ইসলাম, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, রাশেদুল হক, সৈয়দ আবেদ হাসান, নাহিদা রুনাই, আল মামুন সোহাগ, রাফসান রিয়াদ চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম খান এবং মর্জিনা বেগম।
হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে আলোচিত পিকে হালদার দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। ২০২২ সালের ১৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর এলাকা থেকে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকে তিনি ভারতে কারাবন্দি রয়েছেন।
এমডিএএ/এমএমকে ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/jagonewsimage-3-mrdod29olv8n9c2-20260709214551.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>অর্থ, আত্মসাতের, মামলায়, পিকে, হালদারসহ, ১২, জনের, বিরুদ্ধে, গ্রেফতারি, পরোয়ানা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষকর্মী গড়তে ১১০ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ: মন্ত্রী</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বৈদেশিক-কর্মসংস্থানে-দক্ষকর্মী-গড়তে-১১০-প্রতিষ্ঠানে-প্রশিক্ষণ-মন্ত্রী</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বৈদেশিক-কর্মসংস্থানে-দক্ষকর্মী-গড়তে-১১০-প্রতিষ্ঠানে-প্রশিক্ষণ-মন্ত্রী</guid>
        <description><![CDATA[ বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে পরিচালিত ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ৫৫টি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানমুখী কোর্সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বৈদেশিক শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা ও তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। প্রণীত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী এ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষতা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের গন্তব্য দেশের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণে আরবী, জাপানিজ, কোরিয়ান, ইংরেজি, চাইনিজ (ক্যান্টনিজ, ম্যান্ডারিন), জার্মান ও ইটালিয়ান ভাষায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে টিটিসি নির্মাণের ধারাবাহিকতায় বিএমইটির অধীনে প্রস্তাবিত \&quot;৫০টি উপজেলায় ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন\&quot; শীর্ষক প্রকল্পে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এমওএস/এমএএইচ/ ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/parliment1-mrdofoi8he31j9c-20260709214521.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বৈদেশিক, কর্মসংস্থানে, দক্ষকর্মী, গড়তে, ১১০, প্রতিষ্ঠানে, প্রশিক্ষণ:, মন্ত্রী</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>তহবিল সংগ্রহের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বেচ্ছাসেবীর</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/তহবিল-সংগ্রহের-সময়-বিদ্যুৎস্পৃষ্টে-প্রাণ-গেল-স্বেচ্ছাসেবীর</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/তহবিল-সংগ্রহের-সময়-বিদ্যুৎস্পৃষ্টে-প্রাণ-গেল-স্বেচ্ছাসেবীর</guid>
        <description><![CDATA[ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ক্যান্সার আক্রান্ত এক রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আবেদ আলী (৩৮) নামে এক স্বেচ্ছাসেবী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে পৌর শহরের বদিজামাপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আবেদ আলী পৌর শহরের বদিজামাপুর এলাকার মোস্তা রহমানের ছেলে।
তিনি এলাকায় সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ও পরিচিত একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় এক ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের উদ্দেশে কয়েকজনের সঙ্গে একটি বাড়িতে যান আবেদ আলী। সেখানে সহায়তা সংগ্রহের সময় বাড়ির উঠানে চার্জে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গায়ে হেলান দেন তিনি। অটোরিকশাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।
পরে স্থানীয়রা তাকে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্যা হিল জামান বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
রোকনুজ্জামান মানু/এসজেডএইচ/জেআইএম ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/shock-20260709214449.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:06:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>তহবিল, সংগ্রহের, সময়, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে, প্রাণ, গেল, স্বেচ্ছাসেবীর</media:keywords>
    </item>
    </channel>
</rss>