<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>BBH GLOBAL | বাংলাদেশ, প্রযুক্তি, AI, অনলাইন ইনকাম ও সর্বশেষ সংবাদ &amp; : খেলাধুলা</title>
    <link>https://bbhglobal.xyz/rss/category/sports</link>
    <description>BBH GLOBAL | বাংলাদেশ, প্রযুক্তি, AI, অনলাইন ইনকাম ও সর্বশেষ সংবাদ &amp; : খেলাধুলা</description>
    <dc:language>bn</dc:language>
    <dc:creator></dc:creator>
    <dc:rights></dc:rights>
    <item>
        <title>হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙনে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম, বন্যার শঙ্কা</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/হবিগঞ্জে-খোয়াই-নদীর-বাঁধ-ভাঙনে-প্লাবিত-কয়েকটি-গ্রাম-বন্যার-শঙ্কা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/হবিগঞ্জে-খোয়াই-নদীর-বাঁধ-ভাঙনে-প্লাবিত-কয়েকটি-গ্রাম-বন্যার-শঙ্কা</guid>
        <description><![CDATA[ টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের নদ-নদীগুলো পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সদর উপজেলার লস্করপুরের কালিগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর এলাকা দিয়ে খোয়াই নদীর বাঁধ দুটি স্থান ভেঙে গেছে। এতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে কালিগঞ্জ এলাকায় নদীর বাঁধ ভেঙে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন গবাদি পশুসহ মালামাল নিয়ে নিরাপদ স্থানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এদিকে জেলার কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীগুলোতেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। নদী তীরবর্তী এলাকা ও হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত খোয়াই নদীর ২টি স্থান ভেঙেছে। আরও কয়েকটি স্থান ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে আর ভারী বৃষ্টিপাত না হলে নদীগুলোতে পানি কমে যাবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে বস্তা দিয়ে মাটি ফেলে সংস্কার করা হচ্ছে। 


আরও পড়ুন




অনির্দিষ্টকালের জন্য মিরসরাইয়ের সব ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ



জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাউল ও ১ হাজার ৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুত রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় ১ হাজার ৬২০ প্যাকেট শুকনো খাবার উপবরাদ্দ করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উজান এবং দেশের অভ্যন্তরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ২২৫ সেন্টিমিটার এবং আজমিরীগঞ্জ পয়েন্টে কালনী কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া করাঙ্গী, সুতাং ও সোনাই নদীর পানিও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এনএইচআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/5-20260710002216.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>হবিগঞ্জে, খোয়াই, নদীর, বাঁধ, ভাঙনে, প্লাবিত, কয়েকটি, গ্রাম, বন্যার, শঙ্কা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আর্জেন্টিনা ম্যাচের দায়িত্বে ১৮৮৬টি হলুদ কার্ড দেওয়া পর্তুগালের রেফারি</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/আর্জেন্টিনা-ম্যাচের-দায়িত্বে-১৮৮৬টি-হলুদ-কার্ড-দেওয়া-পর্তুগালের-রেফারি</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/আর্জেন্টিনা-ম্যাচের-দায়িত্বে-১৮৮৬টি-হলুদ-কার্ড-দেওয়া-পর্তুগালের-রেফারি</guid>
        <description><![CDATA[ ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করবেন পর্তুগালের অভিজ্ঞ রেফারি জোয়াও পিনেইরো।
এই ম্যাচে তার দুই সহকারীও থাকছেন পর্তুগালের। প্রথম সহকারী রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ব্রুনো জেসুস, আর দ্বিতীয় সহকারী রেফারি থাকবেন লুসিয়ানো মাইয়া।
এছাড়া ম্যাচের চতুর্থ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কানাডার ড্রু ফিশার। রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন মাইকেল বারওয়েগেন।
জোয়াও পিনেইরা তার ক্যারিয়ারে ৪২১টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে হলুদ কার্ড দিয়েছেন ১৮৮৬টি এবং লাল কার্ড ১৩৯টি। প্রতি ম্যাচে গড়ে ৪.৪৮টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন এই রেফারি।
২০২৬ বিশ্বকাপে বসনিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডার ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দুই ম্যাচে মোট ৮টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন, তবে কোনো লাল কার্ড দেখাননি।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/referee-mrdtlh5f6mi9ix1-20260710000910.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>আর্জেন্টিনা, ম্যাচের, দায়িত্বে, ১৮৮৬টি, হলুদ, কার্ড, দেওয়া, পর্তুগালের, রেফারি</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজ করতে নতুন আইন অনুমোদন</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বিনিয়োগকারীদের-সেবা-সহজ-করতে-নতুন-আইন-অনুমোদন</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বিনিয়োগকারীদের-সেবা-সহজ-করতে-নতুন-আইন-অনুমোদন</guid>
        <description><![CDATA[ বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেবা সহজে ও দ্রুত দিতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে সরকার।
এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এর খসড়া ও এলসির অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রেখে ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
সভা শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ খসড়া আইনটি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত কর্তৃপক্ষ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনটির মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করা। এর আওতায় অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া আরও কার্যকরভাবে সমন্বয় করা হবে।
প্রস্তাবিত আইনটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এটি সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
এই আইন বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমাবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার কার্যপরিধির দ্বৈততা ও পুনরাবৃত্তি পরিহার করবে, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়াবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


আরও পড়ুন




বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষকর্মী গড়তে ১১০ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ: মন্ত্রী



 
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী, টেকসই এবং নিম্ন-কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে। গত ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে গঠিত কমিটির সুপারিশ, আন্তমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা, জনমত গ্রহণ এবং ৩১টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারী সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে কৌশলপত্রটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
‘কৌশলপত্রের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করা এবং কার্যকর চাহিদা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
কৌশলপত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ, নেট মিটারিং, ওপেক্স মডেল, স্মার্ট গ্রিড, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম, সৌরচালিত সেচ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বায়ু বিদ্যুৎ, পানি বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং অবকাঠামো এবং ক্লিন কুকিং প্রযুক্তির সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতি ও প্রণোদনার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থায়ন সহজীকরণের জন্য একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফান্ড গঠন, সহজশর্তে অর্থায়ন, ক্রেডিট গ্যারান্টি, কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার বিকাশ, আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণ, কর অবকাশ এবং স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কৌশলপত্রে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কৃষিজমির সুরক্ষা, সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, সৌর প্যানেল ও ব্যাটারির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৌশলপত্রের কার্যকর বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে একটি রিয়েল-টাইম অনলাইন মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালু করা হবে এবং নিয়মিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভার মাধ্যমে বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ পর্যায়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা, সমন্বয় ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় পলিসি কাউন্সিল গঠন করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 


আরও পড়ুন




মোট রপ্তানির ৯১ শতাংশই আসে প্রধান কয়েকটি পণ্য থেকে: বাণিজ্যমন্ত্রী



আমদানিনীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তিন বছর পর পর আমদানি নীতি আদেশ প্রণয়ন পরে সরকার। বর্তমান আদেশের মেয়াদ গত ৩০ জুন শেষ হয়েছে। তবে নতুন আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বলবৎ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/3-mrdt5p7lm8elwaa-20260709235801.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বিনিয়োগকারীদের, সেবা, সহজ, করতে, নতুন, আইন, অনুমোদন</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>‘মেসি এখনও অবিশ্বাস্য’ উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ইয়ামালের</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/মেসি-এখনও-অবিশ্বাস্য-উচ্ছ্বসিত-প্রশংসা-ইয়ামালের</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/মেসি-এখনও-অবিশ্বাস্য-উচ্ছ্বসিত-প্রশংসা-ইয়ামালের</guid>
        <description><![CDATA[ স্পেনের উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল বলেছেন, সময়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লিওনেল মেসির এখনও বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম্যান্স দেখে তিনি ভীষণ আনন্দিত।
৩৯ বছর বয়সী মেসি বর্তমানে আট গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন। শেষ ১৬-এর লড়াইতে মিশরের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা সেই ৩-২ ব্যবধানের প্রত্যাবর্তনের জয়ে তিনি ছিলেন ম্যাচের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।
মেসির বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স সম্পর্কে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল মুন্দো দেপোর্তিভোকে ইয়ামাল বলেন, ‘অবিশ্বাস্য। মেসি কে, সেটা সবাই জানে। কিন্তু এত উচ্চ পর্যায়ে তিনি এখনও খেলবেন, এটা কেউই আশা করেনি। আমি তার জন্য সত্যিই খুব খুশি।’
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছরের শিরোপাখরা কাটিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জেতানোর সেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন মেসি। ইন্টার মিয়ামির এই ফরোয়ার্ড ২০২২ বিশ্বকাপ থেকে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন।
গত মৌসুমে বার্সেলোনায় মেসির কিংবদন্তিতুল্য ১০ নম্বর জার্সির উত্তরাধিকারী হন ইয়ামাল। তিনি বলেন, শৈশবের আরও দুই আদর্শ নেইমার ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এই বিশ্বকাপে খেলতে দেখে তিনিও আনন্দিত।
ইয়ামাল বলেন, ‘নেইমারের জন্য আমি খুশি, যদিও সে এখন আর টুর্নামেন্টে নেই। ক্রিশ্চিয়ানোর জন্যও আমি খুশি। তারা আমাদের প্রজন্মের সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছেন।’
ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার (৮০ গোল) শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বিদায়ের পর জাতীয় দলের ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড চোটের কারণে ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি। তবে এই বিশ্বকাপেই তিনি দলে ফিরে এসেছিলেন।
অন্যদিকে, ইয়ামালের স্পেনই শেষ করে দিয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর একমাত্র অধরা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারার সেই ম্যাচটিই ছিল বিশ্বকাপে পর্তুগিজ এই মহাতারকার শেষ ম্যাচ।
সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা রোনালদো টানা ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোল (১৪৬) ও সর্বাধিক ম্যাচ (২৩৩) খেলার রেকর্ডও তার দখলে।
ইয়ামাল বলেন, ‘তাদের ভালো কিছু হলে সেটাও আমার জন্য আনন্দের। তবে আমি যদি ফাইনালে উঠতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমি শিরোপা জিততে চাই।’
পর্তুগালের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন ইয়ামাল। চোট কাটিয়ে ফেরার পর এটিই ছিল বিশ্বকাপে তার দীর্ঘতম সময় মাঠে থাকা।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলাম। টানা সাতটি ম্যাচ খেলে আসার মতো বিষয় এটি নয়। আমার আরও বেশি বল স্পর্শ করতে হবে, আরও খেলতে হবে, আরও বেশি সময় মাঠে থাকতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই, সেই ছন্দ ফিরে আসবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় আমি আরও ভালো খেলতে পারি। নিজের ব্যাপারে আমি খুব কঠোর। আমার পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট নই। গ্রুপ পর্বে আমি কখনোই সেরা খেলোয়াড় ছিলাম না। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমি জানি, নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ এখনও আছে। যত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এগিয়ে আসে, সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল, আমি তত ভালো খেলি।’
২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে ইউরো জয়ী ইয়ামাল এখন ক্যালিফোর্নিয়ার ইংলউডে অনুষ্ঠিতব্য বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বাসিত।
তিনি বলেন, ‘আমি দারুণ অনুভব করছি। দল হিসেবে আমরা কী করতে পারি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে কী করতে পারি, সেটা দেখানোর জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করি, বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি পুরো দলের জন্যই দারুণ একটি ম্যাচ হবে।’
আরএএইচইউএল/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/messi-mrdsscvpjz9josy-20260709234614.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>‘মেসি, এখনও, অবিশ্বাস্য’, উচ্ছ্বসিত, প্রশংসা, ইয়ামালের</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বিশ্বকাপে রেফারি নিয়োগ কীভাবে করে ফিফা?</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/বিশ্বকাপে-রেফারি-নিয়োগ-কীভাবে-করে-ফিফা</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/বিশ্বকাপে-রেফারি-নিয়োগ-কীভাবে-করে-ফিফা</guid>
        <description><![CDATA[ ফিফা বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শকের নজরে থাকে। মাঠে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের নিয়েও বিতর্ক হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে ৫ আর্জেন্টাইন রেফারি দেওয়া নিয়েও হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনা। মূলত ফিফা সঠিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করতে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের (ম্যাচ অফিসিয়াল) চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দায়িত্ব বণ্টনের জন্য বছরের পর বছর কাজ করে।
কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচে কারা দায়িত্ব পালন করবেন, তা নির্ধারণের আগে ফিফা একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে। এতে একজন কর্মকর্তার অভিজ্ঞতা, পারফরম্যান্স, শারীরিক সক্ষমতা, নিরপেক্ষতা এবং চাপ সামলানোর দক্ষতা বিবেচনা করা হয়।
আগের টুর্নামেন্টগুলোতে যারা ভালো পারফর্ম করেন, প্রতিযোগিতা যত এগোয়, তারা তত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পান।
প্রতিটি ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচে একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ অফিসিয়াল দল থাকে। এতে থাকেন—
* প্রধান রেফারি* দুইজন সহকারী রেফারি* চতুর্থ কর্মকর্তা (ফোর্থ অফিসিয়াল)* ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR)* সহকারী ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (Assistant VAR)
ফিফার রেফারি বাছাই প্রক্রিয়াবিশ্বকাপ শুরু হওয়ার বহু বছর আগেই রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফিফার রেফারিং বিভাগ বিভিন্ন কনফেডারেশনের আন্তর্জাতিক রেফারিদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। বিশ্ব ফুটবলের ছয়টি কনফেডারেশন, ইউরোপ, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং ওশেনিয়া বড় প্রতিযোগিতাগুলোতে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স দেখানো রেফারিদের সুপারিশ করে।
সাধারণত ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকা থেকেই কর্মকর্তাদের নির্বাচন করা হয়। অর্থাৎ, তাদের আগে থেকেই উচ্চ পর্যায়ের ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা, বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ এবং ক্লাব টুর্নামেন্ট।
একাধিক মৌসুম ধরে রেফারিদের পর্যবেক্ষণ করে ফিফা যেসব বিষয় মূল্যায়ন করে—
* সিদ্ধান্তের যথার্থতা* ফুটবলের আইন বোঝা ও সঠিক প্রয়োগ* কঠিন ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা* খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা* মাঠে অবস্থান ও চলাচল* চাপের মধ্যেও ধারাবাহিকতা* ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির ব্যবহার
শারীরিক পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও পারফরম্যান্স মূল্যায়নবিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়ার আগে রেফারিদের কঠোর শারীরিক ও কারিগরি মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফিফা বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্পের আয়োজন করে, যেখানে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলের উচ্চগতির ম্যাচ পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
রেফারিদের যেসব বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়...
* স্প্রিন্টের গতি* উচ্চগতির দৌড়ানোর সক্ষমতা* একাধিক প্রচেষ্টার মধ্যে পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা* দীর্ঘ সময়ের ম্যাচে সহনশীলতা
ফিটনেস পরীক্ষার পাশাপাশি রেফারিরা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক সেশনেও অংশ নেন। সেখানে ম্যাচের বিভিন্ন পরিস্থিতি, শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত, হ্যান্ডবলের ব্যাখ্যা, পেনাল্টির ঘটনা এবং ভিএআর–সংক্রান্ত প্রোটোকল নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। এ ছাড়া ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের আগের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করেন তারা। এতে ফিফার প্রশিক্ষকেরা ভুলগুলো চিহ্নিত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা আরও উন্নত করতে সহায়তা করেন।
নির্দিষ্ট বিশ্বকাপ ম্যাচে ফিফা কীভাবে রেফারি নিয়োগ দেয়চূড়ান্ত রেফারিদের তালিকা নির্ধারণের পরও ফিফা এলোমেলোভাবে তাদের ম্যাচে দায়িত্ব দেয় না। একটি বিশেষ ফিফা রেফারিং কমিটি প্রতিটি ম্যাচ মূল্যায়নের পর সংশ্লিষ্ট রেফারি দল নিয়োগ করে।
রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রে ফিফা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নেয়। সবার আগে দেখা হয় জাতীয়তা ও নিরপেক্ষতা। স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে—এমন কোনো দেশের রেফারিকে সংশ্লিষ্ট ম্যাচে দায়িত্ব দেওয়া হয় না। নিজের দেশের দল বা নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, এমন ম্যাচ থেকেও তাদের দূরে রাখা হয়, যাতে প্রতিটি ম্যাচ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া রেফারির অভিজ্ঞতাও বড় ভূমিকা রাখে। নকআউট পর্ব, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মতো উচ্চচাপের ম্যাচে সাধারণত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেফারিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বড় টুর্নামেন্টে তাদের আগের পারফরম্যান্স এবং চাপ সামলানোর সক্ষমতা মূল্যায়ন করেই এসব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পাশাপাশি দুই দলের খেলার ধরনও বিবেচনায় রাখা হয়। শারীরিক লড়াই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এমন রেফারিকে বেছে নেওয়া হয়, যিনি কঠোর ট্যাকল ও শৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে পারেন। আর কারিগরি ও কৌশলনির্ভর ম্যাচের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী এবং খেলার গতি ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম রেফারিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান রেফারিরাযেসব কর্মকর্তা ধারাবাহিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন, খেলোয়াড়দের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখেন এবং চাপের মধ্যেও সফলভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের নকআউট পর্বের ম্যাচ পরিচালনার জন্য বিবেচনা করা হয়। প্রতিটি নিয়োগের আগে ফিফা ম্যাচ রিপোর্ট, ভিডিও বিশ্লেষণ এবং কারিগরি দলের মতামত পর্যালোচনা করে।
যেসব রেফারির ধারাবাহিকতায় ঘাটতি থাকে বা গুরুতর ভুল করেন, তারা কম ম্যাচের দায়িত্ব পান অথবা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের বিবেচনা থেকে বাদ পড়তে পারেন। বিশ্বকাপের ফাইনালের রেফারি হতে হলে একজন কর্মকর্তাকে অসাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, উচ্চমানের ফিটনেস, মানসিক স্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সামর্থ্য দেখাতে হয়।
প্রধান রেফারির পাশাপাশি, পুরো টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো সহকারী রেফারি এবং ভিএআর কর্মকর্তাদেরও ফিফা ফাইনালের জন্য নির্বাচন করে।
এসকেডি/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/reffere-mrdrn42fpbnptkq-20260709231409.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>বিশ্বকাপে, রেফারি, নিয়োগ, কীভাবে, করে, ফিফা</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আওয়ামী লীগের আমলে ক্রসফায়ারে নিহতদের তথ্য প্রকাশে লিগ্যাল নোটিশ</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/আওয়ামী-লীগের-আমলে-ক্রসফায়ারে-নিহতদের-তথ্য-প্রকাশে-লিগ্যাল-নোটিশ</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/আওয়ামী-লীগের-আমলে-ক্রসফায়ারে-নিহতদের-তথ্য-প্রকাশে-লিগ্যাল-নোটিশ</guid>
        <description><![CDATA[ আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচালিত তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুকযুদ্ধ’, ‘এনকাউন্টার’ বা অন্যান্য অভিযানে নিহত ব্যক্তিদের সম্পর্কিত সরকারি তথ্য প্রকাশের জন্য লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক, বিজিবির মহাপরিচালক ও ডিএমপি কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে-
১. আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুকযুদ্ধ’, ‘এনকাউন্টার’ বা অনুরূপ অভিযানে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী মোট কতজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম, বাবা/মায়ের নাম, ঠিকানা এবং পরিচয় । প্রত্যেক ঘটনার তারিখ, সময় এবং সুনির্দিষ্ট স্থান চাওয়া হয়েছে।
২. কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রত্যেক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তার বিবরণ।
৩. সংশ্লিষ্ট অভিযানে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা এবং আইনগতভাবে প্রকাশযোগ্য সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও সদস্যদের নাম, পদবি ও কর্মস্থল।
৪. প্রত্যেক ঘটনার এফআইআর, সাধারণ ডায়েরি (জিডি), সুরতহাল প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত প্রতিবেদন, বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য সরকারি তদন্তের বর্তমান অবস্থা ও ফলাফল (যেখানে আইন অনুযায়ী প্রকাশযোগ্য)।


আরও পড়ুন




যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির তালিকায় ১০ ডিসি



 
৫. সরকারি তদন্ত, বিচারিক অনুসন্ধান বা অন্য কোনো আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় কোনো ঘটনাকে বেআইনি বা বিচারবহির্ভূত হত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকলে, সে সম্পর্কিত তথ্য ও সিদ্ধান্তের বিবরণ।
৬. কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয়, প্রশাসনিক বা ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নাম, পদবি, গৃহীত ব্যবস্থা, বর্তমান অবস্থা এবং চূড়ান্ত ফলাফল।
৭. নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে কোনো ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন বা অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকলে তার বিবরণ।
৮. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালা, নির্দেশনা বা সংস্কারমূলক পদক্ষেপের বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
উপরোক্ত তথ্যগুলো ১৪ দিনের মধ্যে সরবরাহ না করা হলে অথবা আইনানুগ ও সন্তোষজনক পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এফএইচ/এনএইচআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/4-mrdti8cmj0wrw0p-20260710000707.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>আওয়ামী, লীগের, আমলে, ক্রসফায়ারে, নিহতদের, তথ্য, প্রকাশে, লিগ্যাল, নোটিশ</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>হাইড্রেশন বিরতিকে কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি ডলার আয়</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/হাইড্রেশন-বিরতিকে-কাজে-লাগিয়ে-কোটি-কোটি-ডলার-আয়</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/হাইড্রেশন-বিরতিকে-কাজে-লাগিয়ে-কোটি-কোটি-ডলার-আয়</guid>
        <description><![CDATA[ বিশ্বকাপ এখন শেষ আট দলের লড়াইয়ে পৌঁছে গেছে। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দলগুলো। গত এক মাসেরও বেশি সময়ে ৯০টির বেশি ম্যাচে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত, দারুণ সব গোল এবং বিতর্কের জন্ম হয়েছে। তবে একটি বিষয় এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে-বিতর্কিত হাইড্রেশন বিরতি।
অনেকে আবার এটিকে বাধ্যতামূলক বিজ্ঞাপন বিরতি বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কারণ এর ফলে ফুটবল যেন চার কোয়ার্টারের খেলায় পরিণত হয়েছে।
তীব্র গরমে খেলোয়াড়দের শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের সুযোগ দিতে খেলা সাময়িক বন্ধ রাখার ধারণাটি তাত্ত্বিকভাবে যৌক্তিক। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া বলে মনে হয়। বিশেষ করে যখন ম্যাচগুলো জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কোনো সম্পর্কই থাকে না।
সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতি ম্যাচের ২২তম ও ৬৭তম মিনিটে বাধ্যতামূলক এই তিন মিনিটের বিরতি যেন সোনার খনি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফক্স স্পোর্টসের সম্প্রচারস্বত্ব চুক্তির আর্থিক চিত্র সত্যিই বিস্ময়কর।
যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ভাষায় বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব কিনতে প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল ফক্স স্পোর্টস। কিন্তু হাইড্রেশন বিরতির কারণে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ পাওয়ায় সেই বিপুল বিনিয়োগের বড় একটি অংশ প্রায় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিরতির সময় মাঠের দৃশ্য দেখানোর পরিবর্তে পূর্ণ পর্দাজুড়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করে প্রতিটি ম্যাচে প্রায় ২৬০ সেকেন্ড অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ তৈরি করেছে ফক্স। এর আর্থিক প্রভাবও ছিল তাৎক্ষণিক এবং বিশাল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু গ্রুপ পর্বেই এই অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আয় করেছে।
ম্যাচের গুরুত্ব অনুযায়ী প্রতিটি ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের মূল্য ছিল ২ লাখ থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে। ফলে ১০৪ ম্যাচের পুরো টুর্নামেন্টে শুধু হাইড্রেশন বিরতির বিজ্ঞাপন থেকেই ফক্সের সম্ভাব্য আয় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এতে ভবিষ্যতের ফুটবলের জন্য এক ধরনের অদ্ভুত প্রণোদনার কাঠামো তৈরি হয়েছে। কারণ সম্প্রচারস্বত্বের চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ফিফা হাইড্রেশন বিরতির নিয়ম ঘোষণা করেছিল। ফলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই নতুন বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ পেয়ে যায়।
স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের অনেকেই এই মধ্যার্ধের বিরতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুয়োধ্বনি দেন। কিন্তু বিজ্ঞাপন থেকে আসা বিপুল আয়ের কারণে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই বিরতিকে উপেক্ষা করা প্রায় অসম্ভব।
ফিফা দাবি করতে পারে যে এই নীতি কেবল খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক বাস্তবতা বলছে, হাইড্রেশন বিরতি সফল বাণিজ্যিকীকরণ করেছে। খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে কাজে লাগিয়ে এটি সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্ধ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয়ের এক বিশাল সুযোগে পরিণত হয়েছে।
আরএএইচইউএল/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/fifa-mrdt5kakkl5miy0-20260709235630.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>হাইড্রেশন, বিরতিকে, কাজে, লাগিয়ে, কোটি, কোটি, ডলার, আয়</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ভিএআর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত ফিফার</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/কোয়ার্টার-ফাইনাল-থেকে-ভিএআর-ব্যবস্থায়-পরিবর্তন-আনার-সিদ্ধান্ত-ফিফার</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/কোয়ার্টার-ফাইনাল-থেকে-ভিএআর-ব্যবস্থায়-পরিবর্তন-আনার-সিদ্ধান্ত-ফিফার</guid>
        <description><![CDATA[ ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ফিফা। বৃহস্পতিবার ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন এই ব্যবস্থা। এখন থেকে প্রতিটি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ভিএআর এবং একজন বিকল্প ভিএআর কর্মকর্তা সরাসরি স্টেডিয়ামেই অবস্থান করবেন।
এর আগে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভিএআর পরিচালিত হচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টার (আইবিসি) থেকে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমস্যার ঝুঁকি কমাতে স্টেডিয়ামেই ভিডিও রেফারিদের রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।
ফ্রান্স–মরক্কো ম্যাচে উরুগুয়ের লিওদান গনসালেস ভিএআর হিসেবে এবং নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান বিকল্প ভিএআর হিসেবে বোস্টনের স্টেডিয়ামে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্টেডিয়াম ও ডালাসের ভিএআর কন্ট্রোল সেন্টারের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এই দুই কর্মকর্তা সরাসরি স্টেডিয়াম থেকেই ভিএআর পরিচালনা করতে পারবেন। একইভাবে, প্রয়োজন হলে মাঠের রেফারি মনিটরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করলেও এই ব্যবস্থাই কার্যকর থাকবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিএআর প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনো ম্যাচ স্থগিত করা যায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে খেলা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচে রেফারিং প্যানেলেও থাকছে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী উপস্থিতি। প্রধান রেফারির দায়িত্বে থাকবেন ফাকুন্দো তেয়ো। তাকে সহায়তা করবেন সহকারী রেফারি হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে।
চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দারিও এরেরা, পঞ্চম কর্মকর্তা থাকবেন ক্রিস্তিয়ান নাভারো। আর ভিএআর-এর দায়িত্বে থাকবেন আর্জেন্টিনার এরনান মাস্ত্রানহেলো।
ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচের বিজয়ী দল সেমিফাইনালে স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দলের মুখোমুখি হবে।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/referee-mrdsfjev0bl07wn-20260709233615.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>কোয়ার্টার, ফাইনাল, থেকে, ভিএআর, ব্যবস্থায়, পরিবর্তন, আনার, সিদ্ধান্ত, ফিফার</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>এক ম্যাচ নয়, দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হলো ইংলিশ ডিফেন্ডারকে</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/এক-ম্যাচ-নয়-দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-করা-হলো-ইংলিশ-ডিফেন্ডারকে</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/এক-ম্যাচ-নয়-দুই-ম্যাচ-নিষিদ্ধ-করা-হলো-ইংলিশ-ডিফেন্ডারকে</guid>
        <description><![CDATA[ বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পাশাপাশি ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচেও খেলতে পারবেন না তিনি।
২৩ বছর বয়সী কোয়ানসা মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে ৫৪তম মিনিটে হেসুস গাইয়ার্দোকে ট্যাকল করতে গিয়ে লাল কার্ড দেখেন। প্রথমে বলে স্পর্শ করলেও তার উঁচু হয়ে যাওয়া ডান পা গাইয়ার্দোর গায়ে আঘাত করে। ভিএআর পর্যালোচনার পর ইরানি রেফারি আলিরেজা ফাঘানি সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
এই লাল কার্ডের কারণে তিনি আগেই নরওয়ের বিপক্ষে শনিবারের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন। এবার ফিফা নিশ্চিত করেছে, শাস্তি দুই ম্যাচ হওয়ায় ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে আর্জেন্টিনা বা সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তাকে পাওয়া যাবে না।
কোয়ানসার অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেলকে রক্ষণভাগে নতুন সমাধান খুঁজতে হবে। বিশেষ করে রাইটব্যাক পজিশন নিয়ে তার দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে।
এদিকে ইংল্যান্ড অধিনায়ক রিস জেমস এখনও হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। চোটের কারণে তিনি দলের শেষ তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি এবং নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আরেক রাইটব্যাক টিনো লিভরামেন্তো চোটে ছিটকে যান। তার বদলি হিসেবে দলে ডাক পান মূলত সেন্টারব্যাক ট্রেভোহ চালোবা।
গুরুত্বপূর্ণ নকআউট পর্বের আগে একের পর এক রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে হারানোয় ইংল্যান্ডের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/england-mrdrw1j4fdwglua-20260709232105.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>এক, ম্যাচ, নয়, দুই, ম্যাচ, নিষিদ্ধ, করা, হলো, ইংলিশ, ডিফেন্ডারকে</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>স্পেন ম্যাচের আগে আবারও ফিফার কাছে অভিযোগ বেলজিয়ামের</title>
        <link>https://bbhglobal.xyz/স্পেন-ম্যাচের-আগে-আবারও-ফিফার-কাছে-অভিযোগ-বেলজিয়ামের</link>
        <guid>https://bbhglobal.xyz/স্পেন-ম্যাচের-আগে-আবারও-ফিফার-কাছে-অভিযোগ-বেলজিয়ামের</guid>
        <description><![CDATA[  
২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও ফিফার কাছে অভিযোগ তুলেছে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন (আরবিএফএ)। এবার স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে নির্ধারিত অনুশীলন মাঠের মান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তারা অনুশীলন কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করে, যা ফিফা অনুমোদন দিয়েছে।
দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের অভিযোগ ছিল যে লয়োলা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটির মাঠটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম মান পূরণ করেনি।
এ কারণে বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে অনুরোধ জানায়, যাতে দলটি এলএ গ্যালাক্সির কারসন ট্রেনিং কমপ্লেক্সে অনুশীলন করতে পারে। ফিফা সেই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে লয়োলা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটি বেলজিয়ামের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সুলিভান মাঠের মান নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়, যাতে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা যায়। মাঠটি চমৎকার অবস্থায় রয়েছে এবং ইতোমধ্যেই একাধিক পেশাদার ক্রীড়া দল এখানে অনুশীলন করেছে। এমনকি এ গ্রীষ্মেও এখানে আরও কয়েকটি বড় ক্রীড়া আয়োজন নির্ধারিত রয়েছে।
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের ঠিক আগের দিন এই পরিবর্তনের আবেদন জানায় বেলজিয়াম। লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছে নির্ধারিত অনুশীলন মাঠ পরিদর্শনের পরই ফিফার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করে ইউরোপের দলটি।
এই ঘটনা ফিফার সঙ্গে বেলজিয়ামের চলমান উত্তেজনাকেই আরও বাড়িয়ে দিলো। এর আগে শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও, মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ড বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফিফার কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেছিল বেলজিয়াম।
সেই সময় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, তারা স্বচ্ছতা, সমান আচরণ এবং নিয়মের যথাযথ প্রয়োগের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে। তাদের মতে, জাতীয় দল, খেলোয়াড় এবং সমর্থকদের আস্থা বজায় রাখতে স্পষ্ট ও ন্যায্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
আরআর/এমএমআর ]]></description>
        <enclosure url="http://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/belgium-mrdrcru153iangy-20260709230615.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 00:42:53 +0600</pubDate>
        <dc:creator>sayed</dc:creator>
        <media:keywords>স্পেন, ম্যাচের, আগে, আবারও, ফিফার, কাছে, অভিযোগ, বেলজিয়ামের</media:keywords>
    </item>
    </channel>
</rss>